kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০০-র বেশি আসন নিয়ে রাজ্যের ক্ষমতা দখল করার স্বপ্ন দেখেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর সেই স্বপ্নে সহমত হয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি নেতাদের একাংশ। অন্যদিকে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের লক্ষ্য ছিল তার গড় অর্থাৎ ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলকে একেবারে শূন্য করে দেওয়া। আর এই লক্ষ্যে প্রথম থেকেই সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে ছিলেন অর্জুন সিং। কিন্তু ফল প্রকাশ হতে দেখা গিয়েছে অর্জুনের দল ধরাশায়ী হয়ে গিয়েছে তার এলাকায়। শুধুমাত্র ভাটপাড়া বাদে অর্জুনের লোকসভা ক্ষেত্রে বাকি ৬টি বিধানসভায় জিতেছে তৃণমূল।

বিজেপির এই বিপর্যয়ের পর এলাকায় এলাকায় অশান্তি শুরু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের লোকজন হামলা চালাচ্ছে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে। অনেক জায়গায় ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের বাড়িছাড়া করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে তীব্র অশান্তি ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে। দলীয় এক কর্মী আক্রান্ত হওয়ায় তার বাড়িতে গিয়েছিলেন অর্জুন সিং। সেখানে তিনি সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। অর্জুন সিং বলেন, ‘গণতন্ত্র রক্ষার জন্য জনগণের ভোটে জয়ী হয়েছি। আর জনগণকে রক্ষা করতে পারছি না। তা হলে সেই জনপ্রতিনিধি থেকে লাভ কী? এর থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত আমাদের’। অর্জুনের মুখ থেকে এই কথা শোনার পর শুরু হয়েছে চর্চা। তা হলে কি বিজেপি ছাড়ছেন তিনি? আবার কি ফিরে আসতে চাইছেন তৃণমূলে? এই জল্পনা এখন ব্যারাকপুরে আলোচিত বিষয়।

​দলীয় কর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েক জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল ইচ্ছাকৃত ভাবে তাদের ওপর বদলা নিতে এই আক্রমণ চালাচ্ছে। রাজ্য নেতৃত্বের তরফে এই কথা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। আজ বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা রাজ্যে আসছেন। তিনি যাবেন বেশ কয়েকজন নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িতে। কথা বলবেন পরিবারের লোকজনের সঙ্গে। এদিকে আজ দেশজুড়ে ধরনার ডাক দিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, রাজ্যের চলতে থাকা হিংসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে ফোন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here