ভাল ভাল রেস্তোরাঁর খোঁজ থাকত ওঁর কাছেই, খাদ্যরসিক জেটলির স্মৃতি রোমন্থন আডবাণীর

0
68

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ‘পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক, দলকে সেটা থেকে বের করেই আনত অরুণ জেটলির ধুরন্ধর মস্তিষ্ক।’ প্রথম মোদী সরকারের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর প্রয়াণের পর এভাবেই তাঁকে স্মরণ করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম বরিষ্ঠ নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী। বিগত কয়েকদিন ধরে রোগ ভোগের পর এদিন এইমসে দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে প্রয়াত হন অরুণ জেটলি। মৃত্যুকালে মাত্র ৬৬ বছর বয়স হয়েছিল তাঁর।

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর প্রয়াণে আবেগতাড়িত হয়ে একসঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতি রোমন্থন করেন আডবাণী। একজন ভাল প্রশাসক হওয়ার পাশাপাশি অরুণ জেটলি যে খাদ্যরসিক মানুষ ছিলেন তাও মনে করিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির ‘লৌহমানব’। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে জেটলির বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে চোখের কোণা ভিজে আসে আডবাণীরও। বলেন, ‘আরও একজন ঘনিষ্ঠ সতির্থকে হারালাম। জেটলিজির প্রয়াণে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাসা নেই আমার। আইনের ময়দানে অসম্ভব ট্যালেন্টেড হওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন অভূতপূর্ব প্রশাসক এবং দুর্দান্ত সাংসদ।’ দলের প্রতি জেটলির অবদান প্রসঙ্গে তিনি আডবাণী বলেন, ‘কয়েক দশক ধরে দলের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন তিনি। আমি সভাপতি থাকার সময় বিজেপির মূল সংগঠনে তাঁর প্রবেশ ঘটে। ক্রমশ দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে ওঠেন তিনি।’

অরুণ জেটলির অদেখা নানা দিকের কথাও উঠে আসে আডবাণীর বক্তব্যে। তাঁর বন্ধুত্ব, তাঁর নম্র স্বভাব, এবং খাবারের জন্য জেটলির ভালবাসা ছিল অটুট। জানান আডবাণী। তিনি বলেন, ‘জেটলি এমন একজন মানুষ ছিলেন রাজনৈতিক জগতের নানা মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলতেন। মানুষ হিসেবে সর্বদা তাঁকে একজন মৃদুভাষী এবং দিলখোলা ব্যক্তি হিসেবে মনে রাখা হবে। একজন খাদ্যপ্রেমী তো বটেই। আমাকে ভাল ভাল রেস্তোরাঁর ঠিকানাও বলে দিতেন। এমনকী দীপাবলির সময়ও নিজের পরিবার সহ আমার বাড়িতে আসা একপ্রকার নিয়ম করে ফেলেছিলেন তিনি।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here