bengali news

নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলি: দলীয় কর্মীকে খুনের প্রতিবাদে মিছিল করার জন‍্য বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃনমুলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার করে শাসক শিবির বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে দায়ী করেছে। ঘটনা তারকেশ্বরের চাঁপাডাঙ্গা এলাকায়। ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী।

১৫ই অগাষ্ট খানাকুলে দলীয় কর্মী সুদর্শন প্রামানিক খুনের প্রতিবাদে গতকাল রাতে বিজেপি কর্মী তৃনাঙ্কুর জানার নেতৃত্বে প্রতিবাদ মিছিল করা হয় চাঁপাডাঙ্গা অঞ্চলে। মিছিল থেকে শাসক দলের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলে দোষীদের গ্ৰেফতারের দাবি জানানো হয়।। তারপরই রাতে তৃনাঙ্কুর জানার বড়িতে চড়াও হয় জনা পনেরো দুস্কৃতি।

বিজেপি কর্মী তৃনাঙ্কুর জানার অভিযোগ, গতকালকের মিছিল দেখে তৃনমুল ভয় পেয়ে যায়। তারপর রাতে তারকেশ্বর ব্লকের তৃনমুল নেতা লাল্টু চ‍্যাটার্জী দলবল নিয়ে হামলা চালায়। অশ্রাব‍্য গালিগালাজ করা হয়, বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। জানালার রড বেকিয়ে দেওয়া হয়। লাথি মেরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে  ফেলে ঘরের আসবাবপত্র তছনছ করে দেওয়া হয়। এমনকি বাড়ির বাইরে বের হলে দেখে নেবার হুমকীও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।।

অন‍্যদিকে তৃনমুল নেতা লাল্টু চ‍্যাটার্জী তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তার দাবি, কালকের ঘটনায় তৃনমূলের কেউ জড়িত নয়। বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই ওই ঘটনা ঘটেছে। চারিদিকে বিজেপি থেকে লোকজন তৃনমুলে যোগ দিচ্ছে বলে মিথ‍্যা ঘটনা সাজিয়ে তৃনমুলকে বদনাম করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

যদিও আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সহ সভাপতি গনেশ চক্রবর্তী জানান, খানাকুলে দলীয় কর্মীর খুনকে যেভাবে গোষ্ঠদ্বন্দ্ব বলে চালাতে চেষ্টা করা হয়েছিল। ঠিক সেভাবেই চাঁপাডাঙ্গার ঘটনাকে গোষ্ঠীদ্বন্ড বলা হচ্ছে। কিন্তু শাসক দলের দায় নেই দিনের আলোয় কিছু করার”।

ঘটনার জেরে আজকে তারকেশ্বর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। এবং খানাকুলে দলীয় কর্মীকে খুন করা ও চাঁপাডাঙ্গায় দলীয় কর্মীর বাড়িতে সামলার প্রতিবাদে তারকেশ্বর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান হয় বিজেপির পক্ষ থেকে।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here