kolkata bengali news

Highlights

  • অবস্থা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না
  • বিশ্বব্যাপী এই ভয়ঙ্কর আবহাওয়া পৃথিবীর সবুজ পৃষ্ঠের প্রায় ২৫ শতাংশ জুড়ে বিস্তৃত
  • কমপক্ষে ২৮ জন নিহত হয়েছেন। প্রায় ২ হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। ১১.২ মিলিয়ন হেক্টর বনভূমি ধ্বংস হয়েছে।

 

মহানগর ওয়েবডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ায় গ্রিন হাউস গ্যাসকে কাজে লাগিয়ে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। এমনই দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। অস্ট্রেলিয়া সরকার ও সেই দেশের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জনজীবনকেই দায়ী করেছে এই দাবানলের জন্য। ২০১৩ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত ৫৭ টি রিপোর্টের পর্যালোচনায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য।

জলবায়ু গবেষক রিচার্ড বেটস সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ‘এই সময়ে আমরা জলবায়ুর পরিপন্থী কিছু করব না। পর্যালোচনা করে দেখা গিয়েছে, জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে তৈরি হয়েছে ‘আগুনের আবহাওয়া’। কম আদ্রতা, কম বৃষ্টিপাত, ভারী বাতাস, তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে দাবানলের দ্রুততা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই প্রভাব পড়েছে মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রের পশ্চিম অংশ, কানাডা, দক্ষিণ ইউরোপ, স্ক্যান্ডিনেভিয়া, আমাজন এবং সাইবেরিয়াতেও। তথ্য অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী এই ভয়ঙ্কর আবহাওয়া পৃথিবীর সবুজ পৃষ্ঠের প্রায় ২৫ শতাংশ জুড়ে বিস্তৃত। মরসুমের ওপর ২০ শতাংশ প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।

বেটস বলেন, দুর্যোগের সময় গড় বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রার থেকে অস্ট্রেলিয়ার তাপমাত্রা প্রায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছিল। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা সূত্র জানাচ্ছে, বিশ্বে তাপমাত্রা বৃদ্ধি এই শতাব্দীতে ৩-৫ সেলসিয়াস বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অস্ট্রেলিয়াকে গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণে ৩ বার সতর্ক করা হয়েছে।

বেটস আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়ার তাপমাত্রার পরিস্থিতি এই মুহুর্তে খুবই সংকটজনক। ফলে তাপমাত্রা বিশ্বে কম করে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়বে।

ব্রিটেনের পূর্ব অ্যাঞ্জেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্লাইমেট টেন্ডাল সেন্টার এই বিষয়ে গবেষণা শুরু করেছে। অস্ট্রেলিয়ার অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ২৮ জন নিহত হয়েছেন। প্রায় ২ হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। ১১.২ মিলিয়ন হেক্টর বনভূমি ধ্বংস হয়েছে। এই আয়তন প্রায় ব্রিটেনের অর্ধেক। এই সংকটজনক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বিষয়ে কয়েক সপ্তাহের পর্যালোচনার পরে, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন রবিবার বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সহ দুর্যোগের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ জানার জন্য উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের প্রস্তাব করা হবে। এখন অপেক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী পরিস্থিতি সামাল দেওয়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here