ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে না হয় সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল। কিন্তু মহেশতলা বিধানসভা নির্বাচনে সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নেতৃত্বে হওয়া নির্বাচনেও বিপুল ব্যবধানে জয়ী হল তৃণমূল কংগ্রেস। জয়ের পর নির্বাচনের এই ব্যবধানকেই হাতিয়ার করে বিজেপিকে একহাত নিলেন যুব তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনেই বেশি মার্জিনে জেতে তৃণমূল। মহেশতলা জয়ের পর সংবাদ মাধ্যমের সামনে এমন কথাই জানালেন আত্মবিশ্বাসী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ২০১৯-এ বিজেপি ফিনিশ হবেই। দুলাল দাসের রেকর্ড মার্জিনে জয়ের পর যুব তৃণমূল নেতার বক্তব্য ছিল, কর্ণাটকে বিজেপির খুঁটি পুজো হয়েছিল। মহেশতলায় মহালয়া হয়ে গিয়েছে। এবার ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে বিজেপির বিজয়া দশমী হবে জানিয়ে দেন তিনি।

সকাল ৮টা থেকে ভোটগণনা শুরু হওয়ার পরই ছবিটা স্পষ্ট হয়ে যায়। এক এক রাউন্ড গণনা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জয়ের ব্যবধান বাড়াতে থাকেন তৃণমূল প্রার্থী দুলাল দাস। গণনা শেষে দেখা যায় ৬২,৭৬৫ ভোটের ফারাকে জয়ী হয়েছেন দুলালবাবু। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী সুজিত ঘোষ। এই জয়ের পর তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম বলেন, এই জয় প্রত্যাশিতই ছিল। ৫০ হাজার ভোটের বেশি ব্যবধানে জয় হবে জানতাম। এই বিরাট জয়ের কৃতিত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নকেই দেন ফিরহাদবাবু।

অন্যদিকে, মহেশতলা জয়ের পর সাংবাদিক সম্মেলন করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই জয় সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জয়। একের বিরুদ্ধে একের যে ফর্মুলা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখিয়েছিলেন সেই পথেই আজ বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হচ্ছে বিরোধীরা। এই জয় মানুষের জয়, এই জয় মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের জয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here