ডেস্ক: আলাউদ্দিন খিলজির পাল্টা নাচনেওয়ালি। গণতন্ত্রে সৌজন্যের ব্যবহার এতটাই কমে গিয়েছে যে আক্রমণের অছিলায় ব্যক্তিগত স্তরে নেমে যেতেও দুবার ভাবছেন না রাজনৈতিক নেতামন্ত্রীরা। যাদের উপর দেশ, রাজ্য, জেলা, শহর ইত্যাদি পরিচালনা অথবা রক্ষা করা দায়িত্ব থাকে তারাই একে অপরের সঙ্গে কুৎসিত ভাষায় বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছেন। একদিন আগেই নিজের প্রাক্তন দল সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খানকে আলাউদ্দিন খিলজির সঙ্গে তুলনা করে শিরোনামে এসেছিলেন জয়াপ্রদা। এবার তাঁকে পাল্টা ‘নাচনেওয়ালি’ বলে শালীনতার ধার না ধেরে পাল্টা আক্রমণ করলেন আজম খান।

সমাজবাদী পার্টির ঘরোয়া সমীকরণ বদলে যাওয়ায় এখন সেই জয়াপ্রদার চক্ষুশূল হয়ে উঠেছেন আজম খান। দুজনের সম্পর্ক এতটাই তলানিতে এসে ঠেকেছে যে, অত্যাচারি শাসক আলাউদ্দিন খিলজিকে দেখলেই আজম খানের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে জয়াপ্রদার। জয়াপ্রদা বলেন,”পদ্মাবতে খিলজির চরিত্র দেখে আমার আজম খানের কথা মনে পড়ে গিয়েছিল। নির্বাচনী প্রচারে আমাকে উত্যক্ত করতেন তিনি।” জয়াপ্রদা সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘অনুগামীদের সামনে উনি (আজম) আমার সম্পর্কে অশালীন শব্দের ব্যবহার করেন। আমি কখনও ভাবতেও পারি না নিজের দলের লোক হয়েও তিনি কীভাবে আমার বিরুদ্ধেই প্রচার করতে থাকেন।”

এবার জয়াপ্রদার বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে আজম বললেন, ”একজন নাচনেওয়ালির সঙ্গে তর্ক করব তো রাজনীতি কখন করব! শুনেছি, পদ্মাবত ছবিতে খিলজির চরিত্র অত্যন্ত খারাপ করে দেখানো হয়েছে। শুনেছি, খিলজির আসার আগেই পদ্মাবতী দুনিয়া ছেড়ে চলে যান। কিন্তু এখন এক মহিলা, এক নাচনেওয়ালি আপনাদের এই ভৃত্যের ব্যাপারে কী না কী বলেছে।”

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here