kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: রায় ঘোষণার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানানো হয়েছিল ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় ঘোষণা করতে হবে বিশেষ সিবিআই আদালতকে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ শিরোধার্য করেই আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় ঘোষণা করতে চলেছে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। শুধু তাই নয় ওই দিনের শুনানিতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার মূল অভিযুক্ত লাল কৃষ্ণ আদবানি, উমা ভারতী, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং, বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা মুরলী মনোহর যোশী, বিনয় কাটিয়ার, সাক্ষী মহারাজের মত হেভিওয়েটদের।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৯ জুলাই শীর্ষ আদালতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল আগামী ৯ মাসের মধ্যেই বাবলি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় ঘোষণা করতে হবে বিশেষ সিবিআই আদালতকে। যদিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য আরও কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছিল। সে আবেদন মঞ্জুর করা হয় শীর্ষ আদালতের তরফে। অবশেষে সিবিআই আদালতের বিচারক সুরেন্দ্র কুমার যাদব এদিন জানিয়ে দেন আগামী ৩২ সেপ্টেম্বর এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। ঘটনায় অভিযুক্ত ৩২ জনকে সশরীরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে তালিকায় রয়েছেন লালকৃষ্ণ আদবানি, উমা ভারতী, মুরলী মনোহর যোশীর মত শীর্ষস্থানীয়রা। আগামী দুই সপ্তাহে ভাগ্য নির্ধারণ হবে দেশের এই সমস্ত হেভিওয়েটদের।

প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর করসেবা করতে এসে অযোধ্যায় প্রাচীন বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলে করসেবকরা। অভিযোগ ওঠে লালকৃষ্ণ আডবানি, মুরলী মনোহর যোশী-সহ একাধিক বিজেপি নেতার উস্কানি মূলক মন্তব্যের জেরে ভেঙে ফেলা হয়েছিল এই মসজিদ। তবে মসজিদ ভাঙার পিছনে তাদের হাত থাকার কথা পুরোপুরি অস্বীকার করেছিলেন লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলী মনোহর যোশীরা। তবে উল্টো পথে হাঁটতে দেখা যায় উমা ভারতীকে। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানান, রায় যাই হোক তাতে কিছু এসে যায় না। যদি ফাঁসি তাহলে তা আমার সৌভাগ্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here