ডেস্ক: লোকসভা ভোটে বিজেপির নয়া অস্ত্র ‘থিম সং’ গেয়ে বিতর্কে নাম জড়িয়েছিল আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র। এই নিয়ে তাঁর নামে ভিন্ন দুটি অভিযোগও দায়ের হয় দক্ষিণ আসানসোলে। এরপরই বাবুলকে শোকজ করে নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ, ওই গানে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অসম্মান করে একাধিক আপত্তিজনক শব্দের ব্যবহার করেছেন তিনি। গানটি অফিসিয়ালি প্রকাশ পাওয়ার আগেই রেকর্ডিং-এর বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যাওয়ার কারণে বিতর্ক আরও তুঙ্গে ওঠে। এরপর কমিশনকে শোকজের জবাবও দেন বাবুল। কিন্তু সূত্রের খবর, এই মামলায় নতুন করে কমিশনের জালে ফাঁসতে চলেছেন বিজেপির এই সেলেব সাংসদ।

শোকজের জবাবে বাবুল বলেছিলেন, এই গানের রেকর্ডিং-এর দৃশ্য নিজে প্রকাশ করেননি তিনি। কিন্তু পুরো বিতর্কের আগুনে কার্যত ঘি ঢালার কাজ করেছে বাবুলের একটি টুইট। যেখানে দেখা যাচ্ছে, গান রেকর্ড হওয়ার ভিডিও নিজেই নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে প্রকাশ করেছেন তিনি। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা, বাবুলের এই টুইট বাবুলকেই পাল্টা তাঁর জালে ফাঁসিয়ে দিতে পারে। কারণ বাবুল যতই দাবি করুন না কেন যে এই গান তিনি ফাঁস করেননি, তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্ট অন্য কথা বলছে।

বিতর্কিত ‘এই তৃণমূল আর না’ গানটি নিয়ে ইতিমধ্যেই বাবুলকে আইনি জালে জড়িয়ে ফেলতে সবরকম প্রচেষ্টা চালাচ্ছে শাসকদল। অভিষেকের ঘনিষ্ঠ আইনজীবী দ্বারা কমিশনের কাছে আনা হয়েছে একগুচ্ছ অভিযোগ। নির্বাচন আধিকারিকের দফতরের তরফেও অভিযোগগুলি স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা গানটি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেও তাঁর টুইট নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হওয়ায় দ্বিতীয় অভিযোগ থেকে বাবুলের মুক্তি না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সূত্রের খবর, নতুন করে যদি বাবুল শোকজের উত্তরে ভিডিও প্রকাশের কথা উল্লেখ না করেন তবে ওই টুইট নিয়ে পাল্টা পদক্ষেপ নিতে পারে নির্বাচন কমিশন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here