kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ‘বাবুলকে যারা আক্রমণ করেছে তারা বহিরাগত’। ‘বাবুলকে যারা হেনস্থা করেছে তারা দেশদ্রোহী।’ এই দুই বক্তব্য যথাক্রমে বিজেপি নেতা মুকুল রায় ও বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। গতকালের যাদবপুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এবার নিজের হয়েই আসরে নামলেন বাবুল সুপ্রিয়। বললেন, যাদবপুরের ঘটনায় যারা দোষী তারা ‘স্বঘোষিত মাওবাদী’।

হেনস্থার কিছু ছবি দিয়ে ট্যুইটার পোস্ট করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেখানে এক পড়ুয়ার ছবি লাল দিয়ে গোল করে লেখেন, ‘এরা হল স্বঘোষিত মাওবাদী। এখানে যে লাল ব্যান্ড পরে রয়েছে মাথায় এবং যে নীল জামা পড়ে, তারাই আমার চুল টেনে ধরেছিল।’ এরপর আরও একটি ট্যুইট করে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে কড়া প্রশ্ন ছুড়ে দেন বাবুল সুপ্রিয়। তোপ দাগেন, এই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মমতা সরকার কোন ব্যবস্থা করছেন সেটা তিনি দেখতে চান।

These are self-proclaimed Naxalites.. the one with a red Band and the one with blue stripe shirt – he is the one who can be seen catching hold of my hair.. Check out my reasoning with them and then check their demeanour..

Link?https://t.co/HJhyH7qB97 #JadavpurUniversity pic.twitter.com/aAu8szVnXA

— Babul Supriyo (@SuPriyoBabul) September 20, 2019

বাবুল সুপ্রিয়োর চুলের মুঠি ধরে, তাঁর জামাকাপোড় ছিঁড়ে দেওয়া হয় যাদবপুর ক্যাম্পাসে। এমনই অভিযোগে সরব বিজেপি। এই প্রেক্ষিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ইতিমধ্যেই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বলেছেন যে, যাদবপুরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে কমিউনিস্টেদর ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেবেন! অপরদিকে, বিজেপি নেতার মুকুল রায়ের বক্তব্য, পড়ুয়ারা বাবুলকে আক্রমণ করেননি, করেছে বহিরাগতরা। বাবুল সুপ্রিয়র পোস্টে সেই কথারও উল্লেখ রয়েছে। এমন কাউকে চিহ্নিক তিনি করেছেন যাদের দেখে মনে হয় না তারা ছাত্র হতে পারেন, এমনই দাবি তাঁর।

This is the guy who led the assault in #JadavpurUniversity .. we will find him out and then see what @MamataOfficial does to him in terms of charging him for assault without ANY PROVOCATION whatsoever from our/my side@CPKolkata @BJP4Bengal @ABVPVoice @BJYM pic.twitter.com/RzImVk7r5C

— Babul Supriyo (@SuPriyoBabul) September 20, 2019

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here