kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: পুরভোট যত এগিয়ে আসছে ততই শোভন চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও তীব্রতর হচ্ছে। এতদিন ধরে রাজনীতি থেকে দূরে সরে থাকা শোভন কি তাহলে শেষ পর্যন্ত বিজেপির হয়েই সক্রিয় হবেন? যদি হন তবে সেটা কবে? এহেন নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। এরই মধ্যে শোভনের এলাকাতেই রত্না চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূল বড় দায়িত্ব দিয়েছে। এতে শোভন তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে খবর। ফলে শোভনের সক্রিয় হওয়ার জল্পনা উঠেছে তুঙ্গে।

অন্যদিকে মঙ্গলবারই আবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন শোভনের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। খানিকটা আচমকাই এদিন পার্থর বাড়িতে এসে উপস্থিত হন বৈশাখী। প্রায় দু’ঘণ্টা বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই বৈশাখী কয়েকটি বিষয় তৃণমূল মহাসচিবকে সাফ করে দিয়েছেন। তৃণমূল শোভনকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দিলেও বিজেপি কিন্তু যথেষ্ট আগ্রহ দেখাচ্ছে। আর যেহেতু তৃণমূল আগ্রহী নয়, তাই অন্য পথে হেঁটেই আসন্ন পুরভোটের আগে সক্রিয় হতে হবে শোভনকে। স্পষ্টত, বিজেপিকে পাশে নিয়েই যে শোভন এখন এগিয়ে যেতে চাইছেন সেই বার্তাই এদিনের বৈঠকের মাধ্যমে পার্থকে দিয়ে যায় বৈশাখী।

বৈঠক শেষে বৈশাখী জানান, তিনিও চান যে শোভন আবার সক্রিয় রাজনীতি করুন। কোনও রকমের ব্যাঙ্গাত্মক আক্রমণ শোভনের উপর হোক সেটা আর চান না তাঁর বান্ধবী। তবে তিনি কোনদিকে সক্রিয় হবেন তা বৈশাখী সাফ করেননি। যদিও শোভনের ঘনিষ্ঠ মহল জানিয়ে দিয়েছে, রত্নাকে যখনই শোভনের এলাকার দায়িত্ব তৃণমূল দিয়েছে, তখনই প্রাক্তন দলের চ্যাপটার ক্লোজ করে দিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি অমিত শাহর সভার আগে দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায় ‘ফিরে আসুন শোভনদা’ লেখা ও প্রাক্তন মেয়রের ছবি দিয়ে হোর্ডিং পড়েছিল। কলকাতা নাগরিকবৃন্দের সেই হোর্ডিং নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছিল। তবে পরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে জানান, এ কাজ দলের কারও নয়। তবে রত্নাকে তৃণমূল দায়িত্ব দিতেই অসন্তুষ্ঠ হন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তারপরই নতুন করে ‘কামব্যাক’ করা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here