মহানগর ডেস্ক: ডমিনিকার পুলিশ যখন মেহুল চোকসিকে গ্রেপ্তার করেন, সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর বান্ধবী বারবারা জাবারিকা। বুধবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাজ (মেহুল চোকসি) তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চেয়েছিলেন। সেই কারণে রাজ তাঁর কাছ থেকে ফোন নম্বরও নিতে চেয়েছেন। তবে বারবারা যা দাবি করেছেন, তা চোকসির স্ত্রী যা বলেছেন, তার সম্পূর্ণ বিপরীত কথা।

বারবারা সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, “ চোকসি নিজেকে রাজ বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। গত অগাস্ট থেকে আমি তাঁকে চিনি। তিনি যেখানে থাকতেন, তাঁর কাছেই আমি ভাড়া থাকতাম। অগস্ট থেকে এপ্রিল পর্যন্ত তিনি নিজেকে রাজ বলেই পরিচয় দিতেন। তিনি আমাকে সব সময় মেসেজ করতেন। আমি তাঁকে মাসে একটাও উত্তর দিতাম কি না, সন্দেহ রয়েছে।” বারবারা জানিয়েছেন, চোকসির সঙ্গে হীরে ব্যবসায় নামতে তাঁকে বার বার জোর করা হয়েছে। চোকসি তাঁকে একটা আংটি দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমে এই নিয়ে বার বার আলোচনা হয়েছে।

এই আংটি সম্পর্কেও সংবাদ সংস্থাকে বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাকে গয়না দেওয়ার প্রধান কারণ হল, যাতে আমি ওনার সঙ্গে হীরের ব্যবসা করি। তিনি বলেন, তাঁকে চোকসি নিজের দেশ, নাম, ব্যবসা, ক্লায়েন্ট সমস্ত কিছু সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলেছেন। বার বার তিনি প্রশ্ন করতেন। কিন্তু চোকসি বার বার মিথ্যা কথা বলতেন। চোকসির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেছেন, গত কয়েকটা সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে দিয়েছি, আমি চোকসির প্রেমিকা ছিলাম না। আমার নিজস্ব ব্যবসা আছে, নিজস্ব আয় আছে। আমার কখনই অর্থ, হোটেলের বিল পেমেন্ট, ভুয়ো হীরের গয়নার প্রয়োজন ছিল না।

উল্লেখ্য মে মাসের ২৩ তারিখে চোকসি নিখোঁজ হয়ে যান। এরপর ডমিনিকার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে ডমিনিকার পুলিশ দেশে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগ নিয়ে আসেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here