মহানগর ওয়েবডেস্ক: করোনা কবলিত সময়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচগুলো অনেকটা সতেজ হাওয়ার মতো ফুটবল প্রেমীদের কাছে। আর শেষ আটে বার্সেলোনা বনাম বায়ার্ন মিউনিখের মতো দুই সেরা দল মুখোমুখি, বেশ একটা হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ দেখার আশায় মাঝরাতে টিভির পর্দায় চোখ রেখেছিলেন সকলে। কিন্তু কোথায় কি? বার্সাকে নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করে গেল জার্মান ক্লাব। ঠিক বছর ছয়েক আগে যেভাবে ব্রাজিলের মাটিতেই বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে সাত গোল দিয়েছিল জার্মানি, আজ একই রকমের লজ্জার ভাগীদার মেসিরা। আর এই ম্যাচের পর কোচ কিকের যে চাকরি থাকছে না, সেটা এক প্রকার জানিয়েই দিয়েছেন বার্সা প্রেসিডেন্ট।

এদিন মেসি ও সুয়ারেজকে সামনে রেখে ৪-৪-২ ছকে দল সাজিয়েছিলেন কিকে। অন্যদিকে ৪-২-৩-১ ছকে দল সাজান বায়ার্ন কোচ ফ্লিক। সামনে এক লেবানডস্কির পিছনে পেরিসি, মুলার আর ন্যাব্রি। গোটা ম্যাচে বল পজিশনের নিরিখে ৫১-৪৯ শতাংশে এগিয়ে ছিল বার্সেলোনা। ব্যস ঐটুকুই। বাকি সব ক্ষেত্রে কার্যত কাতালান জায়ান্টদের নিয়ে ছেলেখেলা করল বায়ার্ন। বার্সা গোল লক্ষ্য করে মোট ২৬টি শট নিয়েছিলেন মুলাররা, তার মধ্যে ১৪টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে, বার্সা বিপক্ষ গোল লক্ষ্য করে নেয় মাত্র ৭টি শট।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই বার্সাকে চেপে ধরে বায়ার্ন। মাত্র চার মিনিটে লেবানডস্কির মাইনাসে পা ঠেকিয়ে প্রথম গোলটি করেন মুলার। কিন্তু মিনিট তিনেক পরেই আত্মঘাতী গোল করেন আলাবা। এরপর দুই দলই কিছু সময় সমানে সমানে খেলে। মেসির একটি বাঁকানো শট বারে লেগে ফিরে আসে। কিন্তু ১৭ মিনিটের পর থেকেই কেমন ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় বার্সেলোনা। ২১ মিনিটে বার্সা ডিফেন্সকে নিয়ে ছেলেখেলা করে সুন্দর মাইনাস করেন ন্যাব্রি। তা থেকে গোল করে যান পেরিসি। ২৭ মিনিটে ফের গোল করেন ন্যাব্রি। ৩১ মিনিটে গোল করেন মুলার প্রথমার্ধের খেলা ৪-১ ব্যবধানে শেষ হলেও দ্বিতীয়ার্ধে স্রেফ বায়ার্ন ম্যাজিক। ৬৩,৪২,৮৫,৮৯ মিনিটে পরপর গোল করে যান কিমিচ, লেবানডস্কি ও বার্সা থেকেই লোনে বায়ার্নে যাওয়া কুটিনহো। মাঝে ৫৭ মিনিটে একটি গোল করেন সুয়ারেজ। এদিন বার্সা হেরে যাওয়ার ফলে এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ চারে কোনও স্পেনিশ ক্লাব যেতে পারলো না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here