ডেস্ক: ডপ ফ্রি বছরে বিসিসিআইয়ে একটা দাগ রেখেই দিলেন ইউসুফ পাঠান। ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির রিপোর্টে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। ২৭৫টি নমুনা পরীক্ষা করে এই রিপোর্ট দিয়েছে ওয়াডা। তাদের রিপোর্টে কোনও প্লেয়ারের নাম নেই। আগেই ইউসুফ পটানকে পাঁচ মাসের জন্য নির্বাসিত করেছিল বোর্ড। এই বছরের আইপিএল-এর আগেই সেই নির্বাসন শেষ হয়ে যায়।

বিসিসিআই-এর এক বার্তায় জানানো হয়েছিল, ইউসুফের নমুনায় যেটা পাওয়া গিয়েছে তা সাধারণত কাশির সিরাপে পাওয়া যায়। প্রসঙ্গত, ২০১৬তে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাকালামের নমুনায় নিষিদ্ধ উপকরণ পাওয়া গিয়েছিল। আইপিএল-এর সময়ের ঘটনা। তখন বিসিসিআই ব্যাকডেটেড টিইউই (থেরেপিউটিক ইউজ এক্সেম্পশন) করে কেস বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২০১৮তে ডোপ পরীক্ষায় একমাত্র পজিটিভ পাওয়া গিয়েছিল প্রথমশ্রেনীর ক্রিকেটার অভিষেক গুপ্তাকে। এই মুহূর্তে তিনি নির্বাসিত।

বিশ্ব ক্রিকেটও গত বছর প্রায় ডোপ ফ্রি ছিল। ৩৮৯ জন ক্রিকেটারকে পরীক্ষা করে একমাত্র আফগানিস্তানের অল-রাউন্ডার মহম্মদ শাহজাদকেই পজিটিভ পাওয়া গিয়েছিল। এই ৩৮৯ জনের মধ্যে ১৪৯ জনের পরীক্ষা হয়েছিল প্রতিযোগিতার মধ্যে।তার বাইরে পরীক্ষা হয় ২১৪ জনের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here