sourav

ডেস্ক: স্বার্থের সংঘাত নিয়ে বিতর্কের জেরে উত্তপ্ত ভারতীয় ক্রিকেট। এই নিয়ে বিতর্কের মাঝেই চলতি সপ্তাহেই সৌরভ গাঙ্গুলিকে ডেকে পাঠাতে পারেন বোর্ডের অম্বাডসম্যান, এমনটাই জানা গিয়েছে বিসিসিআই সূত্রে। তবে, সৌরভের দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে যে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা নিয়ে মোটেও খুশি নন সিওএ প্রধান বিনোদ রাই।

একই সঙ্গে সিএবি প্রেসিডেন্ট ও দিল্লি ক্যাপিটালসের উপদেষ্টা হয়ে আদতে স্বার্থের সংঘাত করছেন সৌরভ গাঙ্গুলি, এই অভিযোগ তুলে বিসিসিআই অম্বাডসম্যান প্রাক্তন বিচারপতি ডিকে জৈনকে চিঠি দিয়েছিলেন কেকেআরের তিন সমর্থক ভাস্বতী সান্তুয়া, রঞ্জিত শীল ও অভিজিৎ মুখার্জি। এই নিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলির কাছে জবাব চায় বিসিসিআইয়ের অম্বাডসম্যান। সেই মতো স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ নস্যাৎ করে সেই নোটিশের উত্তরও দেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক।

 

এরপরে বিসিসিআইয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল দিল্লির ডাগআউটে আপাতত বসতে কোনও সমস্যা নেই প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়কের। কিন্তু সেই সময় এও জানানো হয়েছিল পরে সৌরভের সঙ্গে দেখা করতে পারেন অম্বাডসম্যান ডিকে জৈন। বিসিসিআই সূত্রে খবর চলতি সপ্তাহের শেষেই প্রিন্স অফ ক্যালকাটাকে ডেকে পাঠাতে পারেন ডিকে জৈন। কিন্তু সেক্ষেত্রে কি সৌরভের বিরুদ্ধে কোনও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ প্রমাণিত হতে পারে। সূত্রের খবর, সেই সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ, বিসিসিআইয়ের এই স্বার্থের সংঘাত সংক্রান্ত ৩৮ (৪) ধারায় কোথাও কোনও দলের উপদেষ্টা থাকা সংক্রান্ত কোনও বিধিনিষেধ নেই। আর সৌরভ ইতিমধ্যেই বিসিসিআইয়ের টেকনিক্যাল কমিটি থেকেও ইস্তফা দিয়ে দিয়েছেন।

অন্যদিকে, সৌরভের বিরুদ্ধে ওঠা এই স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ নিয়ে একেবারেই খুশি নন সিওএ প্রধান বিনোদ রাই। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেটের উন্নতিতে প্রাক্তন খেলোয়াড়রা অংশ নিলেই যদি স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ আসে, তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে কোনও প্রাক্তন খেলোয়াড়রা এই কাজে অংশ নিতে চাইবেন না।’

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here