assam

বাসব রায়: আট দশকে নেলি গণহত্যা আর এখন এনআরসি-পর্বে ১৯ লক্ষ নামহীন দেখে অনেকেরই মনে হতে পারে, অসমে বুঝি অসমিয়া-বাঙালি পরস্পরের শত্রুতে পরিণত হয়েছে। না, এরকম একেবারেই নয়, বরং বলা যায়, ঠিক উলটো পরিস্থিতি।

১৯৮৫ সালে অসম চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় মোটামুটি শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটা বোঝা যায়, যখন বিষয়ভিত্তিক লিটল ম্যাগাজিন ‘নাইনথ কলাম’ প্রকাশ করে স্বরাজোত্তর প্রজন্মের অসমিয়া কবিতার বাংলা অনুবাদ সংকলন। সম্পাদনা করেছিলেন প্রসূন বর্মন। আবার অসমিয়া ‘সাতসৰী’ পত্রিকা দু’টি সংখ্যা করেছিল বাংলাভাষার কবি-লেখকদের নিয়ে। এবং বলার কথা হল এই, প্রশান্ত চক্রবর্তীর সম্পাদনায় ‘সাতসৰী’র ওই দু’টি সংখ্যায় অসমিয়া ভাষায় অনূদিত হয়েছিল অসমের বাংলাভাষার উল্লেখযোগ্য লেখালিখি।

মামণি রয়সম গোস্বামী, সৌরভকুমার চলিহা, রীতা চৌধুরী, হীরেন গোহাঁই, হোমেন বরগোহাঞি, নিরুপমা বরগোহাঞি, অরূপা পটঙ্গীয়া কলিতা, দেবব্রত দাস, কুল শইকিয়া, ইমরান হোসেন, হরেকৃষ্ণ ডেকা প্রমুখের গল্প-উপন্যাস-কবিতা ইতিমধ্যে বাংলাভাষায় অনুবাদ হয়েছে। তবে এ-সবই অসমিয়া থেকে বাংলায়। উলটো দিকটা অর্থাৎ বাংলা থেকে অসমিয়া ভাষায় উল্লেখযোগ্য সংকলন ওই দু’টিই, ‘সাতসৰী’র দু’টি সংখ্যা।

অসমিয়া সংবাদপত্র ‘দৈনিক অসম’ হাতে এল। ‘দৈনিক অসম’ মর্যাদাব্যঞ্জক কাগজ। অর্ধশতাব্দী পার হয়েছে পথচলা। তো সেখানে সঞ্জয় চক্রবর্তীর দু’টি কবিতা অনুবাদ করেছেন অসমিয়া কবি বিজয়শংকর বর্মন। অসমের মেইনস্ট্রিম সংবাদপত্রের পুজো সংখ্যায় এই প্রথম, সম্ভবত, অসমের কোনও বাংলা কবিতার অনুবাদ প্রকাশিত হল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here