দেশদ্রোহীতার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিল ল কমিশন

0
52

ডেস্ক: দেশদ্রোহীতা কী? স্বাধীনতার এত বছর পরেও প্রশ্নটা আতঙ্ক ধরায় মানুষের মনে। সরকার বিরোধিতা কি দেশদ্রোহীতা? এবার তারই জবাব দিল ল কমিশন। ক্ষমতাসীন সরকার বা তার নীতির সমালোচনা কোনওভাবেই দেশদ্রোহীতা নয়। তুলনায় ভিন্ন মত ও সরকারের সমালোচনা গণতন্ত্রকে আরও বেশি মজবুত করে। দেশদ্রোহীতা সেটাই যখন হিংসাত্মক পথে বা বেআইনি ভাবে সরকারকে সরানোর চেষ্টা করা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে সরকার বিরোধিতা করলেই বিরোধীদের উপর দেশদ্রোহীতার তকমা সেঁটে দেতে অভ্যস্ত এক শ্রেণীর রাজনৈতিক দল। তবে এবার এক কনসাল্টেশন পেপার প্রকাশ করে দেশদ্রোহীতার সংজ্ঞা সাফ করে দিল ল’ কমিশন। শুধু তাই নয়, দেশদ্রোহীতা আইনের সংবিধানের ১২৪ ধারা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ল কমিশন। কমিশনের দাবি, দেশের মধ্যে কঠোরতম আইনের উদাহরন হিসাবে ভারতীয় সংবিধানে এই আইন যুক্ত করেছিল ইংরেজরা। কিন্তু আজ থেকে ১০ বছর আগেই ইংল্যান্ডে তুলে দেওয়া হয়েছে দেশদ্রোহীতা আইন।

ল কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে। ভারত একটি সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের দেশ। বাক স্বাধীনতা এই দেশের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। সেহেতু এই দেশে দেশদ্রোহিতার সংজ্ঞাটা অবিলম্বে বদল করা দরকার। স্বাধীন দেশেও যদি সমালোচনাকে প্রশ্রয় না দেওয়া হয় তবে ভারত আজও পরাধীন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here