মহানগর ওয়েবডেস্ক: ভোটে হেরেছেন ঠিকই। কিন্তু লড়াই করেছেন মাটি কামড়ে। লোকসভা ভোটে যেভাবে একাধিক বাধার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা নজর কেড়েছে সবার। সেই সুবাদে এবার ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দিল গেরুয়া শিবির। এদিন দলের কার্যনির্বাহী বর্ধিত কমিটির সভায় ভারতী ঘোষকে রাজ্য বিজেপি সহ সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হল। ভারতী ছাড়াও বিজেপি সহ সভাপতি করা হয়েছে মাফুজা খাতুনকে। একই সঙ্গে বিজেপির সহ সম্পাদকের দায়িত্ব তুলে নেওয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথ বসুকে।

এদিন বিজেপির সকল নেতাদের উপস্থিতিতেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিজেপির একাধিক প্রথম সারির নেতারাই অনুপস্থিত ছিলেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বৈঠকে উপস্থিত থাকলেও মুকুল রায় ছিলেন না। সকল সাংসদ, বিধায়কদের হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সিংহভাগ সাংসদদের দেখতে পাওয়া যায়নি। কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বাবুল সুপ্রিয়, মুকুল রায়ের মতো নেতাদের তো দেখাই যায়নি। উপস্থিত ছিলেন না সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শোভন চট্টোপাধ্যায়ও। বিধায়কদের কথা বাদই দেওয়া যাক। যা খুব একটা ইতিবাচক বার্তা দেয়নি বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বে। দিল্লি বিজেপির তরফে পর্যবেক্ষক হিসেবে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অরবিন্দ মেনন। তিনিও ক্ষোভপ্রকাশ করেন অনুপস্থিতির দশা দেখে।

বস্তুত যারা লোকসভার কঠিন যুদ্ধে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই দিয়েছিলেন তাদেরই এই স্বীকৃতি দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক মাফুজা খাতুনকে বিজেপি এ বার প্রার্থী করেছিল জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রে। কঠিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেও কঠিন লড়াই দেন তিনি। লড়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের খালিলুর রহমানের বিরুদ্ধে। লড়াইয়ের প্রতিদান পেলেন তিনিও।

এছাড়াও এদিনের বৈঠকে আরও একাধিক পদ দেওয়া হয়েছে রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে। একনজরে দেখে নিন কী কী নতুন পদে স্থলাভিষিক্ত করা হল বিজেপির নেতা নেত্রীদের…

রাজ্যের সহ সভাপতি

মাফুজা খাতুন
ভারতী ঘোষ

সাধারণ সম্পাদক

রথীন্দ্রনাথ বসু

জনসম্পর্ক

সায়ন্তন বসু
অমিতাভ মৈত্র

জনজাগরণ

রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়
দেবজিৎ সরকার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here