kolkata news
Parul

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিধান পরিষদের অবলুপ্তি ঘটানো হয়েছিল ১৯৬৯ সালে। তাঁকেই ফের ফেরাতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধীরা বলছেন, হেরো তৃণমূল প্রার্থী ও শাসক দলের তাঁবেদারদের জায়গা দিতেই তোড়জোড় চলছে বিধান পরিষদ গঠনের।

ads

১৯৬৯ সালের আগে ইস্তক পশ্চিমবঙ্গেও ছিল দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা। উচ্চকক্ষের নাম ছিল বিধান পরিষদ। আর নিম্নকক্ষ বিধানসভা। ওই বছর মূলত আরএসপি নেতা যতীন চক্রবর্তী ও কংগ্রেস নেতা সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের উদ্যোগে অবলুপ্তি ঘটে বিধান  পরিষদের। বিধান পরিষদ সম্পর্কে যতীনের মূল্যায়ন ছিল, অপ্রয়োজনীয়, ব্যয়বহুল, বিলাসিতা এবং অযৌক্তিক। তাঁর সেই প্রস্তাব সমর্থন করেছিলেন কংগ্রেসের সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়।বিধানসভায় কংগ্রেস এবং যুক্তফ্রন্টের ২২২ জন সদস্যই সেদিন বিধান পরিষদ অবলুপ্তির পক্ষে মত দেন। যার জেরে অবলুপ্তি ঘটেছিল বিধান পরিষদের।

২০১১ সালে ক্ষমতায় এসেই বিধান পরিষদ গঠনে উদ্যোগী হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম দফায় তিনি যখন মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে সেবার আর তা বেশি দূর এগোয়নি। তৃতীয়বার নবান্নে ফিরেই বিধান পরিষদ গঠনে উদ্যোগী হন মমতা। মঙ্গলবার সেই প্রস্তাব পাশও হয়। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ১৯৬টি। আর বিপক্ষে ৬৯। এর মধ্যে বিজেপির রয়েছেন ৬৮জন। আর একজন আইএসএফের।

বিধান পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তৃণমূলের যাঁরা হেরেছেন, তাঁদের পিছনের দরজা দিয়ে আনতে চাওয়া হচ্ছে। সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন বাম, কংগ্রেস এবং আইএসএফ।          

            

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here