ডেস্ক: একটি সই। একরাশ রাজনীতি। বড়মার মৃত্যুর পর সেই সমস্ত কিছুকে তুলে ধরে বড়মাকে সুপরিকল্পিত ভাবে খুনের অভিযোগ তুললেন বড়মার নাতি শান্তনু ঠাকুর। শুধু তাই নয়, বড়মার মৃত্যুকে পর তাকে খুন বলে দাবি করে সিবিআই তদন্তের দাবি তুললেন শান্তনু। গোটা বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাপক চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে রাজ্যে। যদিও শান্তনুর সে অভিযোগ সম্পূর্ণরুপে খারিজ করে দিয়েছেন মতুয়া মহাসঙ্ঘের কার্যকরী সভাপতি ধ্যানেশ নারায়ন গুহ।

মঙ্গলবার রাতে কলকাতার পিজি হাসপাতালে বড়মার মৃত্যুর পর মঙ্গলবার ঠাকুরনগরে দাড়িয়ে সরাসরি তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে বিজেপি নেতা শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘বড়মা পুরোপুরি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে বড়মাকে। গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাই আমরা। ময়নাতদন্ত হোক বীণাপাণিদেবীর। এই ঘটনার তদন্ত চেয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রীকেও চিঠি পাঠানো হবে।’ বড়মাকে খুনের পিছনে যে ভয়ঙ্কর রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে তা ব্যাখ্যা করে এরপরই তিনি আরও জানান, ‘বড়মা কিছুদিন আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। যে চিঠিতে তিনি লেখেন, ২০১৯ সালে কেন্দ্রের নাগরিকত্ব বিল সমর্থন না করলে মতুয়ারা সরকারকে সমর্থন করবে না। এই চিঠির পর মমতাবালা ঠাকুর আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু আমি জানি চিঠিতে যে সই ছিল তা বড়মার। আর বড়মার চিঠি মতুয়া সমাজে অমৃতসম। ওই চিঠির আসল সত্য প্রকাশ্যে এলে বড়মার এক কথায় সরকার পড়ে যেত। সেই তথ্য প্রমাণ লোপাট করার জন্য বড়মাকেও লোপাট করা হল। সুপরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে।’

তবে শান্তনুর এই অভিযোগ সম্পূর্ণ রুপে অস্বীকার করেছেন মতুয়া মহাসঙ্ঘের কার্যকরী সভাপতি ধ্যানেশ নারায়ন গুহ। তিনি বলেন, ‘বীণাপাণি দেবী মারা যাওয়ায় আমরা মাতৃহারা হলাম। এবং যেটা হচ্ছে সেটা ওঁদের পারিবারিক বিবাদ।’ এরপরই কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘বেঁচে থাকতে দেখলাম না মারা যাওয়ার পর টানাটানি করলাম এটাতো হয় না। শান্তনুরা বলুক ওরা বড়মার জন্য কি করেছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here