ঝাড়খণ্ডে শ্যাম-কূল হারিয়েও ফের বিধানসভা দখল নিতে পারে বিজেপি!

0
kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: একক দম্ভে কি আদৌ ক্ষমতায় টিকে থাকা যায়? মহারাষ্ট্রে নির্বাচন শেষে, ও ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে এই প্রশ্নটাই লাখটাকার প্রশ্ন হয়ে উঠেছে বিজেপির সমুখে। মহারাষ্ট্রে ভোট মেটার পর যেভাবে জোট ভেঙেছে শিবসেনা, একই ভাবে ঝাড়খণ্ড ভোট শুরু হওয়ার আগেই বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে একাধিক শরিকদল। যা একদিকে গেরুয়া শিবিরের চিন্তা বাড়িয়েছে, তবে ভোটের অঙ্কের কথা ভেবে আবার কিছুটা স্বস্তিও রয়েছে। ফলে অদ্ভুত দোটানার মধ্যে রয়েছে রঘুবর দাসের দল।

২০১৪ সালে বিধানসভা ভোট হওয়ার আগে কেন্দ্রশাসিত কোনও দল ক্ষমতায় আসেনি এ রাজ্যে। বিজেপির ক্ষমতায় আসার পর নরেন্দ্র মোদীর তথাকথিত ‘বিকাশ’-এর ছোঁয়া পেয়েছে ঝাড়খণ্ড। ইতিপূর্বে আঞ্চলিক দলগুলির শাসনকালে যা দেখতে পাওয়া যায়নি। ফলে ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিষয়ে আত্মবিশ্বাস রয়েছে বিজেপির।

কিন্তু, একে একে শরিকরা যেভাবে বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধার ক্ষেত্রে পিছিয়ে এসেছে, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখতে পাচ্ছে শাসকদল। বিহারে বিজেপির মূল দুই শরিকদল জেডিইউ এবং এলজেপি, তারা আগে থেকেই নিজেদের আলাদা করে নিয়েছে। নির্বাচনে এককভাবে লড়ছে তারা। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দল অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়নও আলাদাভাবে লড়বে বলে জানিয়েছে। গত বিধানসভা ভোটে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধেই লড়েছিল এই দল। বস্তুত এনডিএ জোটের আর বর্তমানে কোনও অস্তিত্ব থাকছে না ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে। ফলে ৮১ বিধানসভা আসনের এই রাজ্যে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বিজেপির জন্য।

তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, যেহেতু স্থানীয় দলগুলি আলাদা-আলাদা লড়বে এবং তাদের ভোট ভাগ হবে। তাই পরোক্ষে লাভ পেয়ে যেতে পারে বিজেপি। তারা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। সে ক্ষেত্রে রাজ্যপালও যে বিজেপিকে সরকার গঠনের জন্য আগে আমন্ত্রণ জানাবেন তা এখন সবাই জেনেই গিয়েছেন। ফলে এই ফর্মুলা কিছুটা হলেও চাপমুক্ত রেখেছে গেরুয়া শিবিরকে। কিন্তু শরিক অসন্তোষ একটা বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here