ডেস্ক: বিভিন্ন সমীক্ষায় এর আগে সামনে এসেছে বিজেপির ‘উত্থান’-এর ছবি। কোনও সমীক্ষায় মোদী লেটার মার্কস পেয়েছেন, কোনওটায় বিজেপি সবার সেরা হয়েছে। উপত্যকায় হামলার পরবর্তী সময়ে যে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, তারপর জনপ্রিয়তার শীর্ষ উঠেছিলেন মোদী। দেখতে দেখতে সেদিন পেরিয়ে প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়ে আজ দ্বিতীয় দফার ভোট। আর এখন সমীক্ষায় যে চিত্র ধরা পড়ছে তাতে মোদীর জনপ্রিয়তা নিম্নমুখী!

মোদী ও বিজেপির জন্য ছবিটা পাল্টে গিয়েছে প্রথম দফার পরই। বিজেপি যে পরিমাণ ভোট পাবে বলে আশা করছিল তার চেয়ে কমতে পারে আসনসংখ্যা, এমনই উঠে আসছে নয়া সমীক্ষায়। ভারতের প্রথম সারির দুই সমীক্ষক সংস্থা সি-ভোটার এবং সিএসডিএস-এর দাবি এমনটাই। সমীক্ষা অনুযায়ী, গোটা দেশেই জনপ্রিয়তা কমছে মোদী সরকারের। উল্লেখযোগ্যভাবে, গত এক মাসে বিজেপির জনপ্রিয়তা কমেছে ১৯ শতাংশ!

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়ে সিএসডিএস ডিরেক্টর সঞ্জয় কুমার জানিয়েছেন,

উত্তরপ্রদেশে বেশিরভাগ মুসলিম অধ্যুষিত কেন্দ্রে গতবারের তুলনায় অনেক কম ভোটই পড়েছে। এর থেকেই স্পষ্ট যে গতবারে সেখানে যে মোদী হাওয়া থিল, তাতে এবার হ্রাস পড়েছে। গত লোকসভায় এখানে ৮ টি কেন্দ্রেই জিতেছিল বিজেপি, এবার সেটা মোদী-শাহের স্বপ্ন বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সিএসডিএস-এর আগে এক সমীক্ষায় দাবি করেছিল যে উত্তরপ্রদেশ থেকে অন্তত ৪০টি আসন পাবে বিজেপি। কিন্তু প্রথম দফার পর সেই আসনসংখ্যা ২৫-এ আনা হয়েছে!

গো বলয়ের সবচেয়ে বড় রাজ্যের পাশাপাশি বিহার, মহারাষ্ট্রেও ঘাটতি হবে গেরুয়া ভোট বলে দাবি করা হচ্ছে সমীক্ষায়।

সিএসডিএস-এর মতো নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছিল সি-ভোটারও। তাদের দাবি, পুলওয়ামা হামলার পরবর্তী সময় মোদীর জনপ্রিয়তা দেশজুড়ে যে হারে বেড়েছিল তাতে এখন রীতিমতো ভাঁটা পড়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী,

গত ৭ মার্চ বিজেপির জনপ্রিয়তা ছিল প্রায় ৬২ শতাংশ। মাত্র একমাসের মধ্যে ১২ এপ্রিল তা কমে হয়েছে ৪৩ শতাংশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here