ডেস্ক: ‘এ কোনও গণঅভ্যুত্থান নয়। এটা ছিল মহারাষ্ট্রে দাঙ্গা বাধানোর ছক। আর সেই কারনেই পরিকল্পনা করেই মহারাষ্ট্রে এসেছিল কৃষকরা।’ বামপন্থী কৃষক সংগঠন অল ইন্ডিয়া কৃষাণ সভা বা এআইকেএসের নেতৃত্বে ১২ মার্চ ঋণ মুকুবের দাবীতে বিধানসভা ঘেরাও কর্মসূচী করেন প্রায় ৫০ হাজার কৃষক। কৃষকদের সেই কর্মসূচীকে এই ভাষাতেই কটাক্ষ করলেন কেরল বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কে সুরেন্দ্রণ।

তবে শুধু এইটুকুতেই খান্ত থাকেননি ওই বিজেপি নেতা। স্বতঃস্ফূর্ত এই আন্দোলনকে সরাসরি রাজনৈতিক আখ্যা দিয়ে তাঁর আরও অভিযোগ, ‘দাঙ্গা লাগানোই ছিল কৃষকদের আসল উদ্দেশ্য। এর আগেও এই ধরনের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। জাতি দাঙ্গা বাঁধানোই মূল উদ্দেশ্য ছিল ওদের। এই মিছিলে কোনও রকম প্রতিরোধ করা হলে তার ফায়দা তুলত বেশকিছু রাজনৈতিক দল।’ তবে বিজেপি নেতার এই অভিযোগকে পিছনে ফেলে এই মিছিলকে সমর্থন করেছেন রাজনৈতিক পরিসীমার বাইরের বহু মানুষ। তবে সে ধার মাড়াননি শাসকদল বিজেপি। তাঁদের অভিযোগ রাজনৈতিক সমর্থকরা ভিড় বাড়িয়েছিলেন এই মিছিলে। এই কর্মসূচিতে যে বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় হয়েছে তাঁর উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

উল্লেখ্য, একাধিক দাবি নিয়ে নাসিক থেকে মুম্বইয়ের দিকে পা বাড়ান প্রায় ৩০ হাজার কৃষক। ৬ দিনের এই লং মার্চে, পথে সেই মিছিলে যোগ দেন আরও বহু মানুষ। সবমিলিয়ে এই মিছিলের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ হাজার। সোমবার কৃষক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে বাধ্য হয় ফড়নবীশ সরকার। কৃষক সংগঠনের ১২ জন সদস্যের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সেই বৈঠকে ফড়নবীশ সরকার ফসলের নূন্যতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধি, কৃষি ঋন মুকুব, আদিবাসী কৃষকদের হাতে বনের জমি তুলে দেওয়ার মত দাবি মেনে নেয় সরকার। পরে রাজ্য সরকারের তরফে মন্ত্রী চন্দ্রকান্ত পাতিল জানান, রাজ্য সরকার আগামী ৬ মাসের মধ্যে কৃষকদের দাবি বাস্তবায়িত করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here