ডেস্ক: গোয়ায় মনোহর পারিক্করের মৃত্যুর পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে সেখানে সরকার গড়তে মরিয়া ছিল কংগ্রেস। তবে হাত কে কোনও সুযোগ না দিয়ে, জোট সমর্থনে মধ্যরাতেই সেখানে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে দেখা যায়, গোয়ার স্পিকার তথা বিজেপি নেতা প্রমোদ সাওয়ান্তকে। বুধবার গোয়ায় রয়েছে আস্থা ভোট। তার আগে অবশ্য কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে বিধায়কদের রিসর্টে পাঠাল বিজেপি।

পারিক্করের মৃত্যুর পর সেখানে মুখ্যমন্ত্রী কে হবে তা নিয়ে টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বিজেপি ও শরীক দলের অন্দরে। তবে শুরু থেকেই নীতীন গড়কড়ির ইচ্ছা ছিল বিজেপির কাউকেই সরকারে বসানো। ফলে শরীকদের ইচ্ছাকে খুব বিশেষ পাত্তা না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করা হয় প্রমোদ সাওয়ান্তের নাম। তড়িঘড়ি রাত ২ টোয় শপথও নেন তিনি। শরীককে খুশি রাখতে দুই জনকে করা হয় উপমুখ্যমন্ত্রী। একজন এমজিপির বিধায়ক সুধীন ধাবালিকা ও জিএফপি বিধায়ক বিজয় সারদেশাই। এদিকে, কংগ্রেসের তরফে দাবি তোলা হয়েছে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে তাদের সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া হোক। গোটা পরিস্থিতি আঁচ করে যে কোনও মুহূর্তে কংগ্রেসের তরফে খেলা শুরু হতে পারে এই অনুমানে প্রমোদ সাওয়ান্তকে সমর্থনে আস্থাভোটের আগে দলের সমস্ত বিধায়কদের রিসর্টে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল গোয়া বিজেপি।

উল্লেখ্য, ৪০ আসন বিশিষ্ট গোয়া বিধানসভায় ২ কংগ্রেস বিধায়ক ও দুই বিজেপি বিধায়কের মৃত্যুর পর ৪ টি আসন ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। বাকি ৩৬ টি আসনের মধ্যেই দুই বিজেপি বিধায়ক কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা এখন ১২। বিজেপির শরীক দল এমজিপির ৩, জিএফপি ৩ ও ৩টি নির্দলের সমর্থন রয়েছে বিজেপির দিকে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ২১। অন্যদিকে, কংগ্রেসের মোট বিধায়ক সংখ্যা ১৪ ও শরীক দল এনসিপির ১ টি অর্থাৎ ১৫ টি। ফলে কংগ্রেস কে কোনও রকম সুযোগ দিতে চায় না বিজেপি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here