ডেস্ক: জল্পনার অবসান ঘটিয়ে লোকসভা নির্বাচনের জন্য বৃহস্পতিবার নিজেদের প্রথম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বিজেপি। এবারের লোকসভা নির্বাচনে গুজরাতের গান্ধীনগর আসন থেকে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। উল্লেখ্য, এই আসন থেকেই এতদিন জিতে আসছিলেন দলেরই অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা লালকৃষ্ণ আদবানী। এভাবে হঠাৎ প্রার্থী বদল করায় বিরোধীদের কড়া আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে।

এবারে এই বিষয়ে পাল্টা আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর। তিনি বলেন, এতদিন ধরে আদবানীর নির্বাচনী সাফল্যের নেপথ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছেন অমিত শাহ। তিনি আরও বলেন, একদিকে যেখানে আদবানী নির্বাচনের প্রচারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে প্রচার করতেন, তখন অন্যদিকে তাঁর জয়ের ব্যবধান যাতে বিরাট হয় তা নিশ্চিত করার কাজ করতেন অমিত শাহ। এছাড়া গুজরাতের সিংহভাগ নেতাদেরই দাবি ছিল যে এই গান্ধীনগর থেকে অমিত শাহ ভোটে দাঁড়ান।

 

উল্লেখ্য, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের পর সাংসদ পদ ছাড়া রাজনীতিতে কোনও সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়নি লালকৃষ্ণ আদবানীকে। গত লোকসভা নির্বাচনের পর লোকসভার অধ্যক্ষ হওয়ার কথা ছিল বিজেপির ‘লৌহপুরুষ’-এর, কিন্তু ওই পদ চলে যায় সুমিত্রা মহাজনের কাছে। শেষমেষ, আদবানীর ঠাঁই হয় বিজেপির মার্গদর্শক মণ্ডলীতে, উপদেষ্টা হিসেবে। তবে এই মণ্ডলীর রাজনৈতিক কী ভূমিকা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয়ই রয়েছে। পরোক্ষভাবে রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা আদবানীকে যেন প্রত্যক্ষভাবেই রাজনৈতিক দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়ে তাঁর জায়গায় অমিত শাহর লড়ার সিদ্ধান্ত। এই প্রসঙ্গে একটি ধারণা দেশের রাজনৈতিক মহলে চাউর হয়েছে যে, আডবাণী যুগের পতনই ঘটল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here