kolkata bengali news

বিশেষ প্রতিবেদক, কোচবিহার: তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাত মূলক আচরণের অভিযোগ তুলে কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপারের দফতরে ব্যাপক জমায়েত করে বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি। মঙ্গলবার দুপুরে বিজেপির ওই ঘেরাও বিক্ষোভ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। পুলিশের প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে দ্বিতীয় ব্যারিকেড পর্যন্ত এগোয়। সেখানে ধাক্কাধাক্কি হলে বিক্ষোভকারীরা সেই ব্যারিকেডের সামনে বসে পড়ে। পরে সেখান থেকে বিজেপির কোচবিহার জেলা সভাপতি মালতি রাভা, প্রাক্তন দুই জেলা সভাপতি নিত্যানন্দ মুন্সী ও নিখিল রঞ্জন দে সহ বেশ কয়েকজন নেতৃত্বের এক প্রতিনিধি দল পুলিশ সুপারের দফতরের ভিতরে গিয়ে স্মারকলিপি দিয়ে আসেন। এদিন তৃণমূলের সন্ত্রাস ও পুলিশের পক্ষপাতমূলক আচরণ বন্ধ না হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুমকিও দেন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব।

সম্প্রতি কোচবিহারে সক্রিয় হয়ে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির দখলে চলে যাওয়া বিভিন্ন এলাকা পুনরুদ্ধারে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা। বিজেপির অভিযোগ, বোমা বন্দুক নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের গুণ্ডা বাহিনী এলাকায় এলাকায় ঢুকে বিজেপি দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করছে। বিজেপি কর্মীদের এলাকা ছাড়া করছে। পুলিশ তৃণমূলের ওই গুণ্ডাদের নিয়ন্ত্রণ না করলেও বিজেপি কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। শীতলখুচি, কোচবিহার ১ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন এলাকা, তুফানগঞ্জে তৃণমূল সন্ত্রাস করছে বলে বিজেপির অভিযোগ।

তৃণমূল কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা নেতৃত্ব অবশ্য বরাবর বিজেপির বিরুদ্ধেই সন্ত্রাস করার অভিযোগ করে আসছে। তাদের দাবী, লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকে বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উপড়ে লাগামহীন সন্ত্রাস করেছে। তাদের দলীয় কার্যালয়, কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। জমির ফসল কেটে নেওয়া হয়েছে। অনেকেই এখনও বাড়ি ফিরতে পারছেন না বলেও তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব পাল্টা অভিযোগ করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, ‘অল্প সময়য়ের মধ্যে কোচবিহারের মানুষ বিজেপি কি জিনিস বুঝতে পেরে এখন আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে শুরু করেছেন। আর সেটাই ভয়ের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে বিজেপির।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here