ডেস্ক: এপ্রিল মাস। চাঁদিফাটা রোদ। কিন্তু ভোট পড়েছে এই মরসুমে। কাজেই রোদ আছে বলে প্রচারে বিরতি টানার উপায় নেই। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠা ঠা রোদে দাঁড়িয়ে থাকলে শরীর খারাপ হওয়া অবধারিত। তাই এপ্রিল মাসে হতে চলা ব্রিগেডের সভা ঘিরে অভিনব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে বিজেপি শিবির। আগামী ৩ এপ্রিল ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদীর সভায় বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কাঠফাটা রোদের হাত থেকে বাঁচাতে গোটা ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডটাই মুড়ে ফেলা হতে পারে শামিয়ানা দিয়ে। এমন খবরই উঠে এসেছে বিজেপি সূত্রে।

বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এই প্রথম নজিরবিহীন সাহস দেখাচ্ছে বিজেপি। প্রথম, মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই ব্রিগেড ভরানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছে গেরুয়া শিবির। যে ব্রিগেড ভরানো নিয়ে চিন্তায় থাকেন তাবড় তাবড় রাজনৈতিক দলের নেতারা। প্রস্তুতি চলে মাসের পর মাস ধরে। কলকাতার সেই ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড জুড়ে মাত্র ১০ দিনে পদ্মফুল ফোটানোর বাজি ধরেছে বিজেপি। দ্বিতীয়ত, একই দিনে বাংলায় দুটি সভা করার সিদ্ধান্ত। একই দিনে শিলিগুড়ি ও কলকাতায় দুটি সভা হচ্ছে নরেন্দ্র মোদীর। দুটি সভাই ‘হাউসফুল’ হবে বলে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি। নিঃসন্দেহে পরপর এই দুটি সভা যদি সফল হয় তবে গেরুয়া শিবিরের কর্মীদের মনোবল অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। তবে চৈত্রমাসে যে ঠাটা পোড়া রোদ থাকবে সেটা জেনে আগে ভাগে তা ছাউনি দিয়ে ঢেকে ফেলার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, অ্যালুমিনিয়ামের পাত দিয়ে গোটা ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শামিয়ানা টাঙিয়ে দেওয়ার প্ল্যান করা হয়েছে।

তবে এখনও শামিয়ানা দেওয়ার অনুমতি পাওয়া যায়নি সেনাবাহিনীর কাছে থেকে। সেই অনুমতি মিললেই তৈরি হয়ে যাবে শামিয়ানা তৈরির কাজ। ইতিমধ্যেই ঝাড়খণ্ড ও দিল্লি থেকে কলকাতায় ছাউনি আনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সেনার অনুমতি মিললেই ব্রিগেডে সেই শামিয়ানা লাগানোর কাজ শুরু করে দেবে বিজেপি। তবে এই নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। বিরোধীদের একাংশ বলছে, ছাউনি দেওয়া হচ্ছে কারণ ভিড়ের ছবি যাতে না তোলা যায়। বিজেপি ব্রিগেড ভরাতে পারবে না জেনেই আগে থেকে এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here