নিজস্ব প্রতিবেদক, কৃষ্ণনগর: সকালেই এসে গিয়েছে সুপ্রীম রায়। নতুন করে হবে না আর কোন নির্বাচন। রাজ্যে গত মে মাসে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে সব আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন সেই সব আসনে আর কোনব নির্বাচন হবে না বলে এদিনই জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রীম কোর্ট। তার পরিপ্রেক্ষীতে এদিন সকাল থেকেই যেমন রাজ্যের জেলায় জেলায় সবুজ আবিরের উৎসব শুরু হয়েছে তেমনি শাসক দলের নেতামন্ত্রীরাও বিজেপিকে তেঁড়েফুঁড়ে আক্রমণ করতে শুরু করে দিয়েছেন। শুক্রবার নদিয়ার ধুবুলিয়ায় নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় কার্যালয়ে বসে সুপ্রীম কোর্টের রায় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিজেপিকে কান ধরে ওঠবোস করার কথা বললেন রাজ্যের কারামন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। তার বক্তব্য, রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিজেপির কান ধরে উঠবস করা উচিত সাধারণ মানুষের সামনে। বিজেপি বাংলার মানুষের রায়ের বিরুদ্ধে গেছে। বাংলার মানুষকে রীতিমতো অপমান করেছে।

তিনি নাম না করে এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতির উদ্দেশ্যে বলেন,’উনি এমন সব কথাবার্তা বলেন মনে হয় রাস্তার রকবাজদের মতো। বিজেপি দলকে কোনও রাজনৈতিক দল বলেই মনে করে না তৃণমূল কংগ্রেস। কেন না এই দলটার সঙ্গে সাধারণ মানুষের কোন নাড়ীর যোগাযোগ বা সম্পর্ক নেই। এই দলটার নেতা নেত্রীদের বাচনভঙ্গিতেই প্রমাণিত যে তারা মানুষের সঙ্গে কি ভাবে ব্যবহার করা উচিত সেটাই শেখেনি।’ কারামন্ত্রী এদিনের রায় প্রসঙ্গে বলেন,’২০১৯ এর লোকসভা ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে একটা বড় শিক্ষা পেল বিজেপি। লোকসভা ভোটের পরেও আরো একটা বড় শিক্ষা পাবে আর সে জন্য প্রস্তুত থাকুক সাম্প্রদায়িক দলটি। শুধু বিজেপি নয় বিজেপির সঙ্গে বিরোধীরাও বাংলার উন্নয়নকে স্তব্ধ করতেই ওদের সমর্থন করেছিল। শুক্রবার সর্বোচ্চ আদালত যে রায় দিয়েছে এতে বাংলার মানুষের উন্নয়ন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে এগিয়ে যাবে একেবারে পঞ্চায়েত স্তর থেকে। আজ যে ভাবে বিরোধিদের মুখ পুড়েছে আগামী দিনেও একই ভাবে বিজেপি সহ অন্যান্য বিরোধী দলের মুখ পুড়বে।’ জানা গিয়েছে শুক্রবার জেলায় ৩০ টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ২৮ টি পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়েছে তৃণমূল। বিজেপি মাত্র দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করতে পেরেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here