kolkata bengali news

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ সুরক্ষিত, তা প্রমাণ হয়েছে।’ বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম বর্ষপূর্তিতে এভাবেই প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে শুধুমাত্র প্রশংসাতেই ক্ষান্ত হননি তিনি। এই ১০ বছরে দেশের কী কী উন্নতি হয়েছে সেই খতিয়ান তুলে ধরেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। এছাড়াও বর্তমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকাও তুলে ধরেন তিনি।

এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘১০০টির বেশি দেশে ভারত ওষুধ পাঠাচ্ছে। করোনায় মৃত্যুহার ভারতের সবচেয়ে কম। প্রধানমন্ত্রী দূরদর্শী, তাই ভারতে করোনা মোকাবিলা সহজ হচ্ছে। ভারত আত্মনির্ভর কিনা পরীক্ষার সুযোগ এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গোটা দেশ আজ সুরক্ষিত তা প্রমাণিত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একাধিক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছে মোদী সরকার। বিভিন্ন আইন এনে দেশকে সুরক্ষিত করেছেন। মুসলিমদের তিন তালাক আইনকে সংশোধন করে মুসলিম মহিলাদের সুরক্ষিত করেছেন। এছাড়াও অনেক মানুষের স্বপ্ন ছিল রাম মন্দির গড়ার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর যথাসময়ে রাম মন্দিরের কাজও শুরু হয়েছে।’

তবে এদিন প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করলেও মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা থেকে বিরত হননি রাজ্য বিজেপি সভাপতি। রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কেন্দ্রীয় সরকার কাজ করলেও রাজ্য সরকার মানুষকে শুধু বিভ্রান্ত করছে। শনিবার তেমনটাই অভিযোগ করেন দিলীপ ঘোষ। মমতাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন ধার করে সরকার চালাতে হচ্ছে। তাহলে এই এত টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করছেন কীভাবে। সেগুলো মানুষের কাছে পৌঁছাবে কীভাবে! এই প্যাকেজগুলো ঘোষণা করা কি শুধুমাত্র সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলার জন্য! ১৪ তলা থেকে দাঁড়িয়ে উনি অনেক কিছু বলে দেন, যার কোনো তথ্য নেই প্রমাণ নেই।’

বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এদিন দেশবাসীর উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি লিখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই চিঠিতে সুপার সাইক্লোনে বিধ্বস্ত পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশার রাজ্যবাসীকে বর্তমান পরিস্থিতিতে ধৈর্য রাখার জন্য ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘তাদের সাহস অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে। বর্তমানে সারা বিশ্বে একটিই আলোচনা প্রাধান্য পাচ্ছে। ভারত সহ গোটা পৃথিবী এই অর্থনৈতিক মন্দার হাত থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে। যে ভাবে ভারত ঐক্যবদ্ধ হয়ে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে উদাহরণ স্থাপন করেছে। সেই একই ভাবে অর্থনীতির মন্দা থেকেও লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে দেশ উঠে দাঁড়াবে। আমাদের শ্রমিকদের পরিশ্রম ও দক্ষতায় উৎপাদন এমন উৎকর্ষতা স্পর্শ করবে যে আমরা আমদানীর ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে যেতে পারব।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here