kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি : ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেওয়ায় এক বিজেপি কর্মীর কান কেটে নেওয়ার অভিযোগ৷ গেরুয়া ওই কর্মীর বাড়িঘরও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ৷ জখম বিজেপি কর্মীকে ভর্তি করা হয়েছে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে৷ সোমবারের ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷ অভিযোগ দায়ের হয়েছে কোতোয়ালি থানায়৷

আট দফায় বিধানসভা নির্বাচন হবে এ রাজ্যে৷ তার মধ্যে প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে ২৭ মার্চ৷ পরের দফায় ভোট হবে পয়লা এপ্রিল, দক্ষিণবঙ্গে৷ জলপাইগুড়িতে নির্বাচন হবে চতুর্থ দফায়৷ তার ঢের আগেই জেলায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে৷ যার জেরে এক বিজেপির কর্মীর কানের অংশ কেটে নেওয়া হল বলে অভিযোগ৷

রবিবার দোলের পরের দিন সোমবার ছিল হোলি উৎসব৷ জলপাইগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের পাদ্রী কুটির এলাকায় এক তৃণমূল কর্মীকে গেরুয়া আবিরের টিকা পরিয়ে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেন এক পদ্ম-কর্মী৷ অভিযোগ, এর কিছুক্ষণ পরেই বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী গিয়ে ওই বিজেপি কর্মীর বাড়িঘর ভাঙচুর করে৷ পার্টি অফিস এবং বাইকও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ৷ স্থানীয় মহিলাদের ব্যাপক গালিগালাজও করা হয়৷ অভিযোগ, ওই সময় আচমকাই এক দুষ্কৃতী গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই বিজেপি কর্মীর কানের একাংশ কেটে নেয় বলে অভিযোগ৷ রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে৷ খবর পেয়ে এলাকায় যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ থমথমে গোটা এলাকা৷ তবে পুলিশ নয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এলাকায় মোতায়েন করা হোক কেন্দ্রীয় বাহিনী৷  

স্থানীয় সূত্রের খবর, পুরো ঘটনার নেতৃত্ব দিয়েছেন তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস৷ পদ্ম শিবিরেরও অভিযোগ, দুষ্কৃতী তাণ্ডবে নেতৃত্ব দিয়েছেন কৃষ্ণ৷ বিজেপির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অলোক চক্রবর্তী বলেন, ভোট যত ঘনিয়ে আসছে, ততই সন্ত্রাসের মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে তৃণমূল৷ আমাদের দলের এক কর্মীর কানের অংশ কেটে নেওয়ার ঘটনা তারই প্রমাণ৷ তিনি বলেন, রং খেলা সৌজন্যের পরিচয়৷ সেই খেলাকে রক্তাক্ত করল তৃণমূল৷  

অভিযোগ অস্বীকার করেছে ঘাসফুল শিবির৷ তৃণমূলের অভিযুক্ত নেতা কৃষ্ণ দাসের দাবি, অভিযোগ ভিত্তিহীন৷ এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here