নিজস্ব  প্রতিবেদক, ঝাড়গ্রাম: দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল ঝাড়গ্রাম শহরে। এই ঘটনায় দু’জন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত ব্যক্তিদের ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার ঝাড়গ্রাম শহরের দুই নম্বর ওয়ার্ডের বাছুরডোবা এলাকায়। অভিযোগ সোমবার বিজেপির লোকজনেরা বাছুরডোবা এলাকার একটি দেওয়াল আগের থেকেই সাইড ফর বিজেপি লিখে দেওয়ালটি দখল করে রেখেছিল। কিন্তু এদিন তাদের দখল করা দেওয়ালে লিখতে গেলে তৃণমূলের লোকজন তাতে বাধা দেয়। এরপর শুরু হয় বচসা, তারপরেই শুরু হয়ে যায় মারধর।

বিজেপির অভিযোগ, মানবেষ চন্দ্র সাহা ও পার্থপ্রতিম সরকার নামে দুই জন কর্মীকে ব্যাপক মারধর করে তৃণমূলের লোকজনেরা। তাদেরকে গুরুতর জখম অবস্থায় ঝাড়গ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বিজেপির শহর সভাপতি তুষার ঘোষাল বলেন, ‘আমাদের আগের থেকেই সাইট ফর করা ছিল। এদিন আমাদের ছেলেরা দেওয়াল লিখতে গিয়েছিল। তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী সশস্ত্র অবস্থায় এসে মারধর করে। দুইজন গুরুতর জখম হয়। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।’ অন্যদিকে ঝাড়গ্রাম শহর তৃণমূলের সভাপতি প্রশান্ত রায় বলেন, ‘বিষয়টি  খোঁজ নিয়ে দেখব।’ অন্য একটি ঘটনায় তৃণমূলের লোকজনেরা বিজেপি কর্মীর বাড়িতে টাঙ্গানো পতাকা খুলে নেওয়ায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে জেলারই বিনপুর-১ ব্লকের দহিজুড়ী এলাকায়। ওই ঘটনায় স্থানীয় বিডিও বিজেপি কর্মীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন। পরে বিজেপি কর্মীদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন তিনি।

 

এ বিষয়ে বিজেপির দহিজুড়ি পূর্ব বুথ সভাপতি প্রদীপ দাস বলেন, ‘আমাদের কর্মী কুচু দাসের বাড়িতে বিজেপির দলীয় পতাকা টাঙানো ছিল। সে স্বেচ্ছায় ওই পতাকা টাঙিয়েছিল। তৃণমূলের লোকেরা জোর করে পতাকা খুলে নেয়। বিডিও ঘটনাস্থলে এসেছিলেন, কিন্ত উনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।’ এই বিষয়ে বিনপুর-১ ব্লকের বিডিওর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোন মন্তব্য করবেন না বলে জানান। দহিজুড়ি অঞ্চল তৃনমূলের সভাপতি নন্দ ত্রিপাটি  বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোন সম্পর্ক নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here