ডেস্ক: একে গোষ্ঠীকোন্দল, তার উপর সোশ্যাল নেটওয়ার্কে ভুয়ো পোস্ট। এই দুই’য়ে মিলে জেরবার অবস্থা জলপাইগুড়ি পদ্ম শিবিরের। সাধারণত এই ধরনের ছবি রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে দেখা মেলে, কিন্তু সংগঠন বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাকি সমস্যাও আঁকড়ে ধরছে বিজেপিকে।

বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল করার জন্য নির্দিষ্টভাবে নিযুক্ত আইটি সেল সম্পর্কে কমবেশি সকলেরই জানা রয়েছে। এবার সেই সংগঠনের শক্তির ভুল ব্যবহার করেই ফেঁসে গেলেন জলপাইগুড়ি বিজেপি যুব নেতা সুমিত চক্রবর্তী। সড়ক নির্মানের জন্য হনুমান মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে উস্কানিমূলক পোস্ট করার কারণে ভারতীয় দণ্ডবিধি ১৫৩ ও ২৫৫ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অশান্তি ছড়ালে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার হওয়ার পরও অবশ্য দমতে নারাজ সুমিত। তাঁর প্রশ্ন, কেন সড়ক নির্মানের জন্য হনুমান মন্দির ভাঙা হবে। সরকারি অনুমতির বিষয়ে অবশ্য তোয়াক্কা করতে নারাজ তিনি। স্থানীয় বিজেপি নেতাদের অবশ্য বক্তব্য, প্রতিহিংসার কারণেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে সুমিতকে।

অন্যদিকে, এই একই জেলার ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি এলেকায় গোষ্ঠীকোন্দল এতটাই চরমে উঠেছে যে জেলা সভাপতির কাছে ইস্তফা