kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোটের আগে থেকেই বিজেপি’র ২৯৩টি বিধানসভা আসনের প্রার্থীর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। সেই নিরাপত্তার মেয়াদ ছিল আজ ১০ মে পর্যন্ত। কিন্তু রাজ্যে ভোট-পরবর্তী যে হিংসা চলছে, সেই কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে রাজ্য বিজেপি’র তরফে আবেদন করা হয়, বহাল থাকা নিরাপত্তার সময় আরও কিছুটা বাড়ানোর জন্য। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে জানিয়েছে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা। একইসঙ্গে জানা গিয়েছে, এবার যে ৭৭জন বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন, তাদের প্রত্যেককে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হবে। তবে এটা বাধ্যতামূলক নয়। কোনও বিধায়ক যদি না চান নিরাপত্তা নিতে, সেক্ষেত্রে তাকে নিরাপত্তা দেওয়া হবে না। কিন্তু বিজেপির অন্দরমহল সূত্রে জানা গিয়েছে কোনও বিধায়ক এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিতে অস্বীকার করেননি।

​রাজ্য বিজেপির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফেও বারবার অভিযোগ করে বলা হচ্ছে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা চরম আকার ধারণ করেছে। সাধারণ দলীয় কর্মীদের পাশাপাশি আক্রান্ত হচ্ছেন নেতারাও। এমন অবস্থায় বিজেপির টিকিটে যারা লড়াই করেছিলেন, সেই সব প্রার্থীদের অনেকের নিরাপত্তার প্রয়োজন। কারণ যে কোনও সময় তাদের ওপর হামলার আশঙ্কা করছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। তাই রাজ্য বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়, সমস্ত প্রার্থীর নিরাপত্তার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য।

​উল্লেখ্য, বিজেপিতে যোগ দেওয়া নানা স্তরের নেতা কেন্দ্রের নিরাপত্তা পান। তিন থেকে এক লাফে এবার বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা হয়েছে ৭৭। বিধায়ক নন কিন্তু দলের একজন সাধারণ নেতা- এমন অনেকেই যখন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাচ্ছেন, তখন বলা হয় বিধায়করা কেন পাবেন না কেন্দ্রের নিরাপত্তা। বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজের নিজের এলাকায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার জন্য বিধায়কদের আরও বেশি করে সময় দিতে হবে। সুতরাং তাদের ওপর হামলার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই এই কথাটি মাথায় রেখে রাজ্য বিজেপির নেতৃত্ব কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাব পাঠায় সমস্ত বিধায়কের কেন্দ্রের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক প্রস্তাব বিবেচনা করে সব বিধায়কের জন্য কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here