kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, কল্যাণী: এবার প্রকাশ্যে এল বিজেপি’র দুই সাংসদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। বিক্ষোভ, কালো পতাকা, গো ব্যাক স্লোগান, কথা কাটাকাটি সবকিছুই হল নদিয়ার কল্যাণীর সেন্ট্রাল পার্কে বিজেপির সমাবেশে। সোমবার বিকেলে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর জন্মশতবর্ষে একটি সমাবেশের আয়োজন করা হয় গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট লোকসভার বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন বনগাঁ লোকসভার সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। উল্লেখ্য, কল্যাণী বিধানসভা বনগাঁ লোকসভার অন্তর্গত।

অনুষ্ঠান চলাকালীন হঠাৎ শান্তনু ঠাকুরের অনুগামীরা মূল মঞ্চের কিছুটা দূরে কালো পতাকা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ‘গো ব্যাক জগন্নাথ সরকার’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এতেই ক্ষেপে যান জগন্নাথ সরকারের অনুগামীরা। শুরু হয় কথা কাটাকাটি। পরিস্থিতি হয়ে ওঠে উত্তপ্ত। যদিও তখনও মঞ্চে উপস্থিত হননি জগন্নাথবাবু। কিছুক্ষণ এই পরিস্থিতি চলার পর সেখান থেকে চলে যান শান্তনু ঠাকুরের অনুগামীরা।

এই বিষয়ে জগন্নাথ সরকার বলেন, শান্তনু ঠাকুরকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি আসেননি। আর যারা এখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে তাঁরা বিজেপির কেউ নন। সবই তৃণমূলের চক্রান্ত। এখানে মতুয়া সংঘকে বিভাজন করার চেষ্টা করছে শাসক দল। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেন তৃণমূলের কল্যাণী টাউন সভাপতি অরূপ মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, শান্তনু ঠাকুর বিজেপির সাংসদ। জগন্নাথবাবুও বিজেপির সাংসদ। এখানে তৃণমূল কোথায়? একই দলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব। এখানে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তনু ঠাকুরের বড় ভাই সুব্রত ঠাকুর। তিনি বলেন, সংঘে বিভাজন কিছু নেই। আমি এবং শান্তনু দু’জনেই সংঘাধিপতি। এছাড়া শান্তনুকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু। তিনি আসেননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here