kolkata news

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা এড়াতে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ দাবি করেছিলেন বিজেপি নেতারা। ওই দাবির পর তেরাত্তির পার হয়নি। নারদকাণ্ডে গ্রেফতার করা হল দুই মন্ত্রী সহ রাজ্যের চার হেভিওয়েটকে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্য বিজেপির দাবিকে মান্যতা দিতেই তড়িঘড়ি নারদকাণ্ডে পদক্ষেপ!

রাজ্যে অব্যাহত রাজনৈতিক সন্ত্রাস। অভিযোগের আঙুল কখনও বিজেপির দিকে, কখনওবা কাঠগড়ায় খোদ তৃণমূল। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজনৈতিক হিংসায় সব চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে তাদের। শয়ে শয়ে বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া। ভাঙচুর করা হয়েছে প্রচুর বাড়ি। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ঘেরাটোপে থাকা সাংসদ বিজেপির অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে হয়েছে বোমাবাজি। এসবের প্রেক্ষিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ দাবি করেছিলেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই দাবিকে মান্যতা দিতেই নারদকাণ্ডে পদক্ষেপ কাকভোরে।

নারদকাণ্ডে গতকাল, সোমবার গ্রেফতার করা হয় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং প্রাক্তন পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র ও কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। তার জেরে তোলপাড়া হয় রাজ্য-রাজনীতি।

রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলকে বিপাকে ফেলতেই নারদকাণ্ডে পদক্ষেপ। কারণ, চলতি বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হারে বিজেপি। তার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক অশান্তি। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের জেরে ঘরছাড়া হয়েছেন তাঁদের বহু কর্মী-সমর্থক। মারধর করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকজনের। খুনও হয়েছেন প্রচুর বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থক। তার পরেও হিংসা থামাতে কেন্দ্র কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায়, মাঝে মধ্যেই ক্ষোভ উগরে দিচ্ছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। তার পরেই এই পদক্ষেপ কেন্দ্রের। যাকে রাজ্য নেতৃত্বের ক্ষোভের ক্ষতে প্রলেপ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here