মহানগর ওয়েবডেস্ক: জ্বলছে বিশ্বের ফুসফুস৷ জ্বলছে আমাজন৷ যা নিয়ে চিন্তিত গোটা বিশ্ব৷ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মহলও৷ জি৭ বৈঠকেও উঠে এসেছে আমাজন প্রসঙ্গ৷ যেখানে জি৭ সামিটে যোগদানকারী ও তার সদস্য দেশগুলি আমাজনকে বাঁচাতে ১৪৩ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য করতে চেয়েছিল ব্রাজিলকে৷ কিন্তু সেই সাহায্য ফিরিয়ে দিল ব্রাজিল৷

আমাজনের দহন আন্তর্জাতিক মহলের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এবারের জি৭ সামিটে যোগদানকারী এবং তার সদস্য দেশগুলি তুলোধনা করতে ছাড়েনি ব্রাজিল সরকারকে। তাঁদের সকলের একটাই প্রশ্ন তোলে, আমাজনের এই বিপর্যয়ে আগে থেকে কেন কোনও পদক্ষেপ করেনি ব্রাজিল সরকার, তাদের ভুলের খেসারত কেন দিতে হবে গোটা বিশ্বকে? ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যান্যুয়েল মাঁকর জানিয়েছিলেন, জি৭ ভুক্ত দেশগুলি যৌথভাবে ২২ মিলিয়ন ডলার খরচ করবে। তবে শুধু আর্থিক সাহায্যই নয়, প্রযুক্তিগতভাবেও ব্রাজিলের পাশে দাঁড়াবে সেই দেশগুলি। তবে সেই সাহায্য নিতে নারাজ ব্রাজিল৷ যা থেকে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে সেই গুঞ্জন৷ বিশেষজ্ঞদের অনেকাংশের দাবি, আমাজনের আগুন পুরোপুরি ম্যানমেড৷ এই নেপথ্যে রয়েছে বোলসোনারো সরকারেরই হাত৷ বিশ্বের প্রথম সারির সব দেশই ব্রাজিলের দক্ষিনপন্থী প্রেসিডেন্ট-এর আমাজন উদাসীনতার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছিল। কারণ বারবার তিনি এই দায় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছিলেন।

একদিকে যখন আমাজন পুড়ছে সেইসময় কমেডি শো দেখে দিন কাটাচ্ছিলেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ের বোলসোনারো৷ যা নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয় দেশজুড়ে৷ আন্তর্জাতিক মহলের চাপে শেষঅবধি আমাজনের দহন রোধ করতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করে ব্রাজিল সরকার৷ ধীরে ধীরে জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে আমাজন পরিস্থিতি৷ অরণ্য দহনের জেরে মৃত্যু হয়েছে হাজার হাজার পশু প্রাণীর৷ বিশ্ব আরও একধাপ এগিয়ে যাচ্ছে গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের দিকে৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here