international news on vijay mallya

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ঋণ খেলাপি, পলাতক ব্যবসায়ী বিজয় মাল্যকে কবে ভারতে প্রত্যার্পণ করা হবে সে বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা দিলেন না ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত ফিলিপ বার্টন। যদিও ব্রিটিশ সরকার এবং আদালত কোনও ব্যক্তির ক্ষেত্রে আইন এড়ানোর জন্য সীমান্ত পেরনোর বিষয়ে তাদের ঘোষিত নীতি অনুযায়ীই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানান রাষ্ট্রদূত।

একটি ভিডিও সাংবাদিক সম্মেলনে, বিজয় মাল্য ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে ব্রিটিশ রা্ষ্ট্রদূত প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন। কোনও ব্যক্তি বিশেষের রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য করা হয় না বলে জানান ফিলিপ বার্টন। তিনি বলেন, ”দেশের আইন এড়ানোর জন্য যারা সীমান্ত পেরোয় তাদের বিষয় ব্রিটিশ সরকার এবং আদালতের কী করণীয় সেটা তারা স্পষ্ট করেই জানে। আমরা প্রত্যেকেই যে কোনও বিষয়ে আমাদের এক্তিয়ারের মধ্যেই কাজ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা পরস্পরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করি এবং কোনও অপরাধী যাতে সীমান্ত পেরিয়ে দেশের আইনকে এড়িয়ে না যেতে পারে সে বিষয়ে নিশ্চয়তা প্রদান করি।”

বিজয় মাল্য’র প্রত্যার্পণের রায় ফেব্রুয়ারিতে বেরোলেও ”এমন একটি আইনি মামলা চলছে যে বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে পারব না এবং (প্রত্যার্পণের) সময়সীমা নিয়ে আমি আদৌ কিছু বলতে পারব না”, বলে জানান ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত। গত মাসেই ভারতের পক্ষ থেকে বৃটিশ সরকারকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল যাতে বিজয় মাল্যের রাজনৈতিক আশ্রয়ের কোনও আবেদনকেই তারা যেন গ্রাহ্য না করে কারণ দেশে ফিরে তার নিপীড়নের কোনও সম্ভাবনা নেই। একই সঙ্গে ভারত মাল্য’র দ্রুত প্রত্যার্পণ চাইছে সে কথাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

এই মুহূর্তে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে শুধু এটুকুই জানানো যেতে পারে, যে একটি অত্যন্ত গোপনীয় মামলার কারণে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যার্পণের বিষয়টি স্থগিত রয়েছে যদিও সেটিও দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত। উল্লেখ্য প্রত্যার্পণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করলে সেই মামলায় বিজয় মাল্য হেরে যান। গত মাসে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার আবেদনও হাইকোর্ট নাকচ করে দেয়। মাল্য’র বিরুদ্ধে কিংফিশার এয়ারলাইনসের নামে দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপির অভিযোগ রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here