kolkata bengali news

ডেস্ক: টেলিফোন বিল বকেয়া বিজেপি সাংসদ বরুণ গান্ধীর। এই বিল বাবদ ৩৮ হাজার টাকারও বেশি তাঁর কাছে পাবে ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (বিএসএনএল)। অভিযোগ, বহুবার তাগাদা দিয়েও বিএসএনএল ওই বকেয়া আদায় করতে পারেনি। অবশেষে বকেয়া আদায়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পিলভিট জেলা নির্বাচন আধিকারিকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বিএসএনএল।

২০০৯ থেকে ২০১৪ পিলভিটের সাংসদ ছিলেন বরুণ গান্ধী। ওই সময় তাঁর সংসদীয় দফতরে বিএসএনএলের ফোন (০৫৮৮২-২৫৬৫২৫) নম্বর ব্যবহার করতেন তিনি। গত ৩০ মার্চ জেলা নির্বাচন আধিকারিককে পাঠানো চিঠিতে বিএসএনএল বলেছে, বারবার জানানোর পরও সাংসদ বকেয়া ৩৮ হাজার ৬১৬ টাকা পরিশোধ করেননি। এ বিষয়ে লোকসভার সচিবালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ। সেখান থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর ব্রড ব্রান্ড পরিসেবার বকেয়া পরিশোধ করতে হবে সাংসদকেই। কিন্তু বরুণ গান্ধী ওই বকেয়া এখনও পরিশোধ করেননি। এবার উত্তরপ্রদেশের পিলভিট লোকসভা কেন্দ্রে ফের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন বরুণ গান্ধী। কিন্তু তিনি বিএসএনএলের জেলা অফিস থেকে কোনও নো-অবজেকশন নেননি। অথচ, মনোনয়নপত্র পেশ করার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে সরকারি দফতরগুলোর নো-অবজেকশন জমা দিতে হয়। জানা গিয়েছে, আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরের নো-অবজেকশন নির্বাচন দফতরে জমা না হলে স্ক্রুটিনির সময় তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়।

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে সুলতানপুর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন বরুণ। আর তাঁর কেন্দ্র পিলভিট থেকে নির্বাচনী যুদ্ধে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন তাঁর মা মেনকা গান্ধী। এবার তিনি ফের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পিলভিট কেন্দ্রে। আর তাঁর মা মেনকা সুলতানপুর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পিলভিটে মনোনয়ন দাখিল করেছেন তিনি। কিন্তু বিএসএনএলের থেকে নো-অবজেকশন নেননি বরুণ। অন্যদিকে, ওই বকেয়ার জন্য পিলভিট জেলা নির্বাচন আধিকারিকের কাছে চিঠি দিয়েছে বিএসএনএল। ফলে নির্বাচনী আইন অনুযায়ী বরুণ গান্ধীর মনোনায়ন বাতিল হওয়াটা অস্বাভাবিক নয় বলেই মনে করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here