Highlights

  • ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী
  • করদাতাদের নজর বাজেটের দিকে
  • ৮০সি-তে বড় সুরাহা দিতে পারে কেন্দ্র?

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সামনেই কেন্দ্রীয় বাজেট। বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এবারের বাজেটে একদিকে যেমন দেশের অর্থনীতির হাল ফেরাতে দিশা দেখাতে হবে মোদী সরকারকে পাশাপাশি দেশের আম করদাতাদের জন্য সুখবর দেওয়া হবে অন্যতম প্রধান কাজ। অর্থনীতির হাল ফেরাতে কেন্দ্রীয় সরকার কী কী পদক্ষেপ করে, তা দেখার জন্য মুখিয়ে গোটা দেশই। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের বাজেটের অপেক্ষায় হা-পিত্যেশ করে বসে রয়েছে শিল্পমহলও। এরমধ্যেই জল্পনা করদাতাদের সুবিধার্থে বেশ কিছু প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে বাজেটে।

এক সর্বভারতীয় ইংরাজি দৈনিকে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আয়কর আইনের ৮০সি ধারা অনুযায়ী আড়াই লক্ষ টাকা পর্যন্ত লগ্নির সুযোগের প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে বাজেটে। প্রসঙ্গত, আয়কর আইনের ৮০সি ধারা অনুযায়ী, বেশ কিছু প্রকল্পে বছরে মোট দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত লগ্নি করা যায় বর্তমানে। ওই লগ্নি করা টাকার অঙ্ক বাদ যায় মোট আয় থেকে। অর্থাৎ, ওই পরিমাণ আয়ের উপর কোনও কর ধার্য হয় না। এবার সেই লগ্নির পরিমাণ আরও এক লক্ষ টাকা বাড়াতে পারে সরকার।

চলতি বছরেই এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড বা ইপিএফ-এ বিনিয়োগের বার্ষিক পরিমাণ দেড় লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে আড়াই লক্ষ টাকা করতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। এছাড়াও ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেটে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়কর ছাড়ের প্রস্তাবও থাকতে পারে। এরজন্য ৮০সি ধারায় পরিবর্তন হতে পারে।

ইতিমধ্যেই কর্পোরেট ট্যাক্সে ছাড় দিয়ে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার দাওয়াই দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তবে কর্পোরেট ট্যাক্সে ছাড় দিয়ে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা যাবে না মনে করেন নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মতে, কর্পোরেট সেক্টর নগদের ওপর বসে রয়েছে। তাদের ছাড়ের প্রয়োজন নেই। বরং সাধরণ মানুষের হাতে নগদের জোগান বাড়াতে হবে। জিডিপি, বিনিয়োগ সব ভুলে এই কাজটি করতে পারলে আখেরে দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ হবে বলে মনে করেন অভিজিৎবাবু।

শুধুমাত্র কর্পোরেট সেক্টরই নয়, সার্ভিস সেক্টর, অটো মোবাইল সেক্টর আর্থিক মন্দার জেরে বিপর্যস্ত। যদিও দেশের আর্থিক মন্দা আছে বলে মানতে নারাজ কেন্দ্র। বর্তমানে জিডিপি ৪.৫ শতাংশে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন যদি দ্রুত সংস্কারমুখী কোনও পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তাহলে এই আর্থিক মন্দার কবল থেকে বেরোতে পারবে না ভারত। তাই এবারের বাজেটে বিশেষ নজর থাকবে একদিকে যেমন আম আদমির তেমন শিল্পমহলেরও।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here