ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাবিত প্রকল্পের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য যদি কোনও প্রকল্প হয়ে থাকে, তা অবশ্যই বুলেট ট্রেনের। জাপানের মতো প্রগতিশীল দেশের সাহায্যে প্রথম বুলেট ট্রেনের স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিল ভারত। জানা গিয়েছিল, ২০২২ সালের আগস্ট মাসের মধ্যেই এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। কিন্তু খোদ বিজেপির লোকসভা কেন্দ্র মহারাষ্ট্রের পালঘরেই ধাক্কা খাওয়ার মুখে এই প্রকল্প।

জানা গিয়েছে, বুলেট ট্রেনের এই সুবিশাল প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে তীব্র অসন্তোষ শুরু হয়েছে পালঘরের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে। পালঘরে ৭০-এর থেকেও বেশি আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রাম এই প্রকল্পের জন্য জমি ছাড়ার ক্ষেত্রে বেঁকে বসেছে। শুধু তাই নয়, মোদী সরকারের এই আকাশ ছোঁয়া উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্পের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটারও হুমকি দিয়ে রেখেছেন মহারাষ্ট্রের এই গ্রামবাসীরা।

২০১৯-এর জানুয়ারি থেকেই কাজ শুরু হওয়ার কথা দেশের বৃহত্তম এই রেল প্রকল্পের। আহমেদাবাদ-মুম্বই রুটের জন্য চলতি বছরের মধ্যে জমি অধিগ্রহণের জন্য ডেডলাইন রয়েছে কেন্দ্রের কাছে। ৫০৮ কিলোমিটারের মধ্যে মহারাষ্ট্রের পালঘরের উপর দিয়েই প্রায় ১১০ কিলোমিটার লাইন যাওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু আদিবাসীরা জমি ছাড়ার ক্ষেত্রে বেঁকে বসায় এই প্রকল্পের ভবিষ্যৎ আপাতত বিশ বাঁও জলে। রেল মন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিকও এই সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ”মহারাষ্ট্রের কিছু অঞ্চলে বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে আমাদের। কিন্তু আশা করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করে দিতে পারব আমরা। জমি অধিগ্রহণের জন্য কৃষকদের আমরা ৫ গুণ বেশি দাম প্রস্তাব করেছি।’

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here