ডেস্ক: দিল্লির বুরারি কাণ্ডের মৃত্যুরহস্যের জট উন্মোচন করতে চলেছেন তদন্তকারি অফিসাররা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, উদ্ধার হওয়া সিসিটিভির ফুটেজ দেখে তারা মোটামুটি এই সিদ্ধান্তে আসতে পেরেছেন যে ওই পরিবারের ১১ জনের মৃত্যুর পেছনে কোনো চক্রান্ত নেই, তারা প্রত্যেকেই অন্ধবিশ্বাসের শিকার হয়ে নিজেদের মৃত্যুকে বেছে নিয়েছে। ফুটেজে আরও দেখা গেছে যে পরিবারের সদস্যরা আত্মহত্যার জন্য নিজেরাই টুল আর তার নিয়ে আসছে।
এই ঘটনা তদন্ত শুরু হবার পর আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে আর তা হল, ভাটিয়া পরিবার ৩০ জুনের ৬ দিন আগে থেকে নিজেরা ফাঁসি লাগানোর অভ্যাস করত। তদন্তকারীদের হাতে আসা ললিত ভাটিয়ার ডাইরিগুলি থেকে জানা গিয়েছে যে, ওই পরিবারের সদস্যরা আগে থেকেই গলায় দড়ি দিয়ে প্রাণে মারা যাবার অভ্যাস করত। কিন্তু তখন তাদের হাত খোলা অবস্থায় থাকত, সেইজন্য তারা বেঁচেও যেতেন। কিন্তু সপ্তম দিনে অর্থাৎ ৩০ জুন রাতে একমাত্র ললিত এবং তার স্ত্রীর দুজনেরই হাত খোলা ছিল আর বাকিদের বাঁধা ছিল। পুলিশের সন্দেহ, ললিত এবং তার স্ত্রী মিলে সবার মুখ, হাত পা বেঁধেছে এবং সবাইকে ঝোলানোর পর নিজেরাও ফাঁসি লাগিয়ে নিয়েছে। এই ঘটনার আগে ললিত তার পরিবারকে জানিয়েছিল যে, তার বাবা নাকি তার স্বপ্নে আসে এবং কথা বলে। খবর পাওয়া গেছে যে, ফাঁসিতে ঝোলার আগে গোটা পরিবার বাড়িতে যাগযজ্ঞ করেছিল। ললিত গোটা পরিবারকে বলত এসব করলেই তাদের মোক্ষ্য প্রাপ্তি হবে। অবশ্য পুলিশ এই ঘটনার কথা চিন্তা করে এর পেছনে কোনও তান্ত্রিকের যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here