ইসরো-তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসে চন্দ্রযান ২-এর অবতরণ দেখবে বর্ধমানের ছাত্রী

0
kolkata bengali news, burdwan news

নিজস্ব প্রতিবেদক, বর্ধমান: আগামী ৭ সেপ্টেম্বর মাঝরাতে চাঁদের মাটিতে অবতরণ করবে চন্দ্রযান ২। আর বহু প্রতীক্ষিত সেই মুহূর্তের লাইভ স্ক্রিনিং দেখার সাক্ষী থাকবে বর্ধমানের মেয়ে ইউসরা আলম। বেঙ্গালুরুতে ইসরো-র সদর দফতরে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অন্যান্য বিজ্ঞানীদের পাশে বসে চাঁদের মাটিতে চন্দ্রযানের অবতরণ লাইভ স্ক্রিনিং দেখবে ক্লাস নাইনের এই ছাত্রীটি।

জানা গিয়েছে, সারা দেশের ৬০ জন পড়ুয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চন্দ্রযান ২-এর চাঁদে অবতরণ দেখার সুযোগ পেয়েছে। যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের দু’জন রয়েছে। ওই দু’জনের মধ্যেই একজন হল বর্ধমানের বেলগ্রামের দিল্লি পাবলিক স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ইউসরা আলম। তবে তার এই সুযোগ পাওয়া সহজসাধ্য ছিল না। সম্প্রতি ইসরো-র তরফে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে অনলাইনে ‘স্পেস ক্যুইজ’ নামক একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। স্কুল থেকে সেই প্রতিযোগিতার কথা জানতে পেরে অংশ নিয়েছিল ইউসরা। তার মত দেশের অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেরও বহু পড়ুয়া ‘স্পেস ক্যুইজ’-এ অংশগ্রহণ করেছিল। পশ্চিমবঙ্গের ওই প্রতিযোগীদের মধ্যেই যুগ্মভাবে প্রথম হয় ইউসুরা। তাই ইসরো চন্দ্রযান-২-এর চাঁদে অবতরণের ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকার জন্য ই-মেলে ইউসুরাকে আমন্ত্রণ পাঠায়। ইসরো-র থেকে এই আমন্ত্রণ পেয়ে অভিভূত ইউসুরা।

চন্দ্রযান অবতরণের সাক্ষ্য থাকার জন্য আগামী ৬ সেপ্টেম্বরই দুপুর ২টোর মধ্যে অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে বেঙ্গালুরুতে ইসোরোর কন্ট্রোল সেন্টারে রিপোর্ট করতে হবে ইউসরাকে। তবে তাঁদের যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়ার যাবতীয় খরচ বহন করবে ইসরো। খবরটি পেয়েই শিহরিত ইউসরা। মেয়ের এই সুযোগ আসায় খুশি ইউসরার বাবা হাসিব আলমও। তবে মেয়ে যে ইসরোর ক্যুইজ় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল, তা তাঁরা জানতেন না। তাই ইসরো-র তরফে ফোন আসতে তাঁরা সকলেই অবাক হয়ে যান। তিনি বলেন, ‘গোটা ভারতবাসী চন্দ্রযান-২ এর দিকে তাকিয়ে আছে। আর উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে বসে সেই ঘটনার সাক্ষী থাকবে আমার মেয়ে। এটা ভেবেই আনন্দ হচ্ছে।’ ইউসুরা নিজেও এই সুযোগ পাবে বলে কল্পনা করেনি। তার কথায়, ‘ইসরোর এই ক্যুইজ নিয়ে আমি এবং আমার বন্ধু-বান্ধবরা খুবই আগ্রহী ছিলাম। শেষমেশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকার জন্য নির্বিচিত হওয়ার ই-মেল পেয়ে আমি শিহরিত। এটা আমার কাছে একটা বিরাট সুযোগ। আমার স্কুল এবং বন্ধু-বান্ধবরাও দারুণ খুশি।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here