kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: মধ্যপ্রদেশে বড়সড় হাই প্রোফাইল মধুচক্রের সন্ধান পেল পুলিশ৷ মধুচক্রে জড়িত তাবড় তাবড় নেতা – প্রাক্তন মন্ত্রীরা৷ তাদের মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার ঘেঁটে পুলিশের হাতে এসেছে হাজারটি সেক্স চ্যাটের ক্লিপিংস, অশালীন ভিডিও, অডিও ক্লিপিং৷ রাজ্যের নামীদামি ব্যাক্তিদের ইন্ধনেই চলত এই মধুচক্র৷ পুলিশের হিটলিস্টে রয়েছে মধ্যপ্রদেশে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী৷

এমপি পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার এই ঘটনায় ৫ জন মহিলাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ ধৃতদের নাম শ্বেতা জৈন(৩৯),বরখা সোনি(৩৫),আরতি দয়াল৷ এছাড়াও বছর আঠারোর একটি কলেজ ছাত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ জানা গিয়েছে, বরখা সোনি কংগ্রেসের প্রাক্তন আইটি সেলের সদস্য অমিত সোনির স্ত্রী৷ বছর উনচল্লিশের শ্বেতা জৈন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন চালাতো৷ যে বাড়িটিতে এনজিওটির অফিস ছিল সেই বাড়িটি একজন বিজেপি বিধায়কের বলে খবর৷ ওই বাড়িটি ভাড়া নিয়েই সেখানে মধুচক্র চালাতো শ্বেতা৷ পুলিশ জানিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের বেশ কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এই মহিলা৷ এছাড়াও মহারাষ্ট্রের বড় কোন নেতা শ্বেতার মাধ্যমে এই মধুচক্রের সঙ্গে জড়িত হয়েছিল বলে খবর৷

শ্বেতা জৈনকে জেরার পর মিলেছে বিস্ফোরক কিছু তথ্য৷ জেরায় শ্বেতা জানায়, প্রায় ২০০ জন ছাত্রীকে নিয়ে চালানো হত এই চক্র৷ বিশেষ করে যেসব ছাত্রীর পরিবার আর্থিকভাবে দুর্বল তারাই মোটা টাকার পাওয়ার লোভে এই ব্যবসায় নামত৷ শ্বেতা জেরায় স্বীকার করেছে ছাত্রীদের বেশি মাইনের চাকরি পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এই ব্যবসায় আনত সে৷ পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া ৫ জন মহিলা নিজেদের দল নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক এক জায়গায় মধুচক্রের এই ব্যবসা চালাত৷ এই মামলায় তদন্ত করার জন্য ১০ জন সিনিয়র পুলিশ অফিসারের একটি টিম তৈরি করেছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ৷

এতদিন আড়ালেই চলত এই মধুচক্র৷ তবে ইন্দোর মিউনিসিপ্যালিটির এক অফিসার ধৃত আরতি দয়ালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে যে তার ড্যামি ভিডিও বানিয়ে তার থেকে ৩ কোটি চাইছে আরতি৷ এরপরেই পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামলে ‘কেঁচো খুঁড়তে কেউটে’ বেরিয়ে পড়ে৷ পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের তীর রয়েছে বিজেপি ও কংগ্রেসের একাধিক তাবড় তাবড় নেতার বিরুদ্ধে৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here