ডেস্ক: ব্যোমকেশ বক্সী নামটাই যথেষ্ট। সেটা ১৯৩২ হোক কিংবা ২০১৮। সত্যান্বেষী ব্যোমকেশের ক্রেজ আট থেকে আশি সকলের মধ্যেই আছে। সেই দিক দিয়ে বাদ যাননি পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্য। তাই সাহিত্যিক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্মান জানাতে লিখে ফেলেছিলেন ‘বিদায় ব্যোমকেশ’। গত ২০ জুলাই মুক্তি পেয়েছে ‘বিদায় ব্যোমকেশ’। পরিচালনার দায়িত্বে দেবালয় ভট্টাচার্য। এই গল্পে বিপদ এখন ব্যোমকেশের ঘরে। ব্যোমকেশ এখানে বৃদ্ধ। কিন্তু সত্যান্বেষন তাঁর পিছু ছাড়ছে না। ব্যোমকেশের একমাত্র পুত্র অভিমুন্য বক্সী (জয় সেনগুপ্ত) একজন দুঁদে পুলিশ অফিসার। কিন্তু দীর্ঘ দুই বছর নিখোঁজ থাকার পর শেষমেশ খুনের আসামী হয়ে থানায় ফিরলেন তিনি। হাতে রক্ত মাখা ছুড়ি। শুরু হল তদন্ত।

গুরু দায়িত্ব পরে সিনিয়র ওসি এখানে প্রথমবার পুলিশের চরিত্রে অভিনয় রূপঙ্কর বাগচীর কাঁধে। কিন্তু নিজের ছেলেকে বাঁচাতে মাঠে নামেন বৃদ্ধ ব্যোমকেশ। তবে বয়সের কারণে তদন্ত এগোতে না পেরে নিজের অস্ত্র তুলে দেন নাতি সাত্তকি (আবীর) উপর। উল্লেখ্য এই সিনেমায় ব্যোমকেশ ও তাঁর নাতি সাত্তকির চরিত্রে ডবল রোল করেছেন আবীর চ্যাটার্জী। এদিকে সাত্তকী মোটেই গোয়েন্দা হতে চায় না। কিন্তু বাবাকে বাঁচাতে আসরে নামে সে। তারপর আর এক খুন সেখান থেকেই গল্প নেই মোড়। দীর্ঘ দুই বছর ধরে ব্যোমকেশের পারিবারিক সমস্যা ও এই গল্প মনে করায় ‘আদিম রিপু’কে। এই সিনেমাতেও অজিত(রাহুল) ও সত্যবতীকে( সোহিনী সরকার) বারেবারে ফিরে আসতে দেখা যায়। কারণ অজিত ও সত্যবতী ছাড়া ব্যোমকেশ অসম্