kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: অনেকেই হয়তো অবাক হবেন, কিন্তু জনসাধারণের একাংশ বিশ্বাস করেন যে, ক্যানসার থেকে মুক্তি পাওয়া প্রায় অসম্ভব। এক্ষেত্রে তারা ক্যানসার আক্রান্ত এবং তাতে মৃত্যুর পরিসংখ্যানকে তুলে ধরেন। কিন্তু একটা বিষয় সামনে এসেছে যে, যদি স্বল্পমানে ক্যানসার সারানোর পদ্ধতিকে আরও বেশি কাজে লাগানো যায়, তবে বড়বড় স্বাস্থ্য সংস্থার বাড়বাড়ন্ত নিমেষের মধ্যে থিতিয়ে পড়বে। আর ঠিক এই কারণেই ক্যানসার সারানোর দিকে নয়, ব্যবসার বাড়ানোর দিকেই নজর দিচ্ছে স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি! এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে সম্প্রতি।

দাবি করা হয়েছে, শুধুমাত্র টাকা উপার্জন এবং ব্যবসার বাড়বৃদ্ধির জন্য বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি ‘আসল’ ক্যানসার চিকিৎসা থেকে মানুষকে দূরে রাখছে। সেই কারণেই সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ক্যানসারের কাছে আত্মসমর্পণ করে দিয়েছে। ক্যানসার নিয়ে ব্যবসা ঠিক কতটা বেড়েছে তা প্রকাশ পেয়েছে একটি পরিসংখ্যানে। দেখা গিয়েছে, ১৯৪০ সালে আজকের দিনের সমস্ত আধুনিক পদ্ধতি ছাড়া ১৬ জনের মধ্যে মাত্র ১ জন ক্যানসারে আক্রান্ত হতেন। ১৯৭০ সালের পরবর্তী সময় দেখা গেল সেই অনুপাত কমে প্রতি ১০ জনে ১ জন আক্রান্ত হচ্ছেন। আর আজ, ২০১৯ সালে দাঁড়িয়ে প্রতি ২ জন পুরুষে ১ জন এবং প্রতি ৩ জন নারীতে ১ জন ক্যানসারে আক্রান্ত। সৌজন্যে, আধুনিক বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় নজর দেওয়া স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি। শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দেখা গিয়েছে, ২০১৪ সালে প্রায় ১৬,৬৬,০০০ মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং তার মধ্যে প্রায় ৫,৮৬,০০০ জন মারা গিয়েছেন।

কেন মানুষ ‘ক্যানসার’ শুনলেই ভয় পায়? কেন ক্যানসার হলেই তারা ভেবে নেন, আর বেশিদিন নেই? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে এইসব স্বাস্থ্য সংস্থার ব্যাপারে খুঁটিনাটি জানা প্রয়োজন। কারণ এই সমস্যা শুধুমাত্র যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তা কিন্তু নয়। এ সমস্যা বিশ্বব্যাপী। বিভিন্ন পরিসংখ্যান বারেবারে তুলে ধরেছে যে, ক্যানসারের আক্রমণ আরও দিন দিন বেড়ে চলেছে। এমনও পরিসংখ্যান নজরে এসেছে যেখানে বলা হয়েছিল যে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি ঘরে অন্তত একজন ক্যানসারে আক্রান্ত হবেন। এই সব আতঙ্কের মাঝেই একটাই প্রশ্ন খোঁচা দিয়ে ওঠে, সত্যিই কি ক্যানসারের চিকিৎসা সম্ভব নয়? নাকি কেউ ‘বন্ধু’ সেজে আমাদের জীবনের মূল্যবান সময় এবং সম্বল নিয়ে খেলায় মত্ত?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here