kolkata news

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভোটারদের মিষ্টিমুখ করাবেন বলে আনিয়েছিলেন দু কুইন্টালেরও বেশি জিলিপি, সিঙ্গাড়া। শুরু হয়ে গিয়েছিল খাবার বিলিও। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ভন্ডুল করে দেয় মিষ্টিমুখের আয়োজন। গ্রেফতার করা হয় প্রার্থীকে। গ্রেফতার করা হয় তার নয় সঙ্গীকেও। উত্তরপ্রদেশের ঘটনায় চাঞ্চল্য।

ভোটারদের ভেট দিয়ে প্রভাবিত করার রেওয়াজ দীর্ঘদিনের। কোথাও ভোটের দিন খাওয়ানো হয় মাংসভাত, কোথাওবা মুড়ি তেলেভাজা। টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টার অভিযোগও ওঠে আকছার। তার পরেও বন্ধ হয়নি এই বেআইনি প্রথা। যা করতে গিয়ে গ্রেফতার হলেন প্রার্থী সহ দশজন।

স্থানীয় সূত্রের খবর, ১৫ এপ্রিল থেকে যোগীর রাজ্যে শুরু হচ্ছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। চলবে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত। উন্নাওয়ের হাসানগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হওয়ার লক্ষ্যে দু কুইন্টালেরও বেশি জিলিপি ও সিঙ্গারা ভোটারদের বিলি করার আয়োজন করেন এক প্রার্থী। যোগাড়যন্ত্র যখন সব সারা, তখন খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে গ্রেফতার করে ওই প্রার্থীকে। গ্রেফতার করা হয় তাঁর ন জন অনুগামীকেও। আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ওই প্রার্থী সহ দশজনকে। হাসানগঞ্জের ইন্সপেক্টর মুকুলপ্রকাশ বর্মা বলেন, প্রধান পদপ্রার্থী স্বামীর নির্দেশেই জিলিপি, সিঙ্গাড়া বিলির আয়োজন হয়েছিল। খাবার বিতরণও হচ্ছিল। খবর পেয়ে গিয়ে প্রার্থী সহ দশজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নিজের ঝুলিতে ভোট টানতে ভেট দেওয়ার প্রথা উত্তর প্রদেশে নতুন নয়। আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কখনও কখনও গ্রেফতারও করা হয় প্রার্থীকে। তার পরেও দিব্যি চলতে থাকে ভোট কিনতে ভেট দেওয়ার জঘণ্য প্রথা।  

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here