kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। রাত পোহালেই পঞ্চম দফার ভোট। পূর্ব বর্ধমান জেলায় ৮ বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি যখন তুঙ্গে, সেই সময় ঠিক ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগেই একটি বুথের সিসিটিভি ভেঙে ফেলাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের কপিবাগান শিশুশিক্ষা কেন্দ্রে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই কেন্দ্রে তিনটি বুথ রয়েছে। ২০৫, ২০৬ ও ২০৭। এই তিনটি বুথই এই শিশু শিক্ষাকেন্দ্রে অবস্থিত। ভোটগ্রহণের জন্য সব প্রস্তুতি এখানে সারা হয়েছে। এদিন সকালে স্থানীয় কয়েকজন দেখেন শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের বাইরে একটি চিপ পড়ে রয়েছে। এরপরই এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়।

স্থানীয় বাসিন্দা তথা বিজেপি কর্মী গৌতম ঘোষ জানিয়েছেন, গতকাল পর্যন্ত একজনের কাছে ওই ভোটকেন্দ্রের চাবি ছিল। অপরিচিত দুটি ছেলে এসে চাবি নেয়। তারা ইলেকট্রিশিয়ান পরিচয় দিয়েছিল। এরপর তারা কাজ সেরে চাবি ফেরত দিয়ে চলেও যায়। আর এরপর এদিন সকালে এলাকার মানুষ দেখেন সেখানে একটি চিপ পড়ে আছে। এই নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। তারপরই দেখা যায় এই কেন্দ্রের ২০৫ নং বুথের একটি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ভাঙা। ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন অংশ। গৌতমবাবু জানিয়েছেন, গোটা বিষয়টিই পরিকল্পিত বলে তাঁদের মনে হয়েছে। যার কাছে এতদিন চাবি ছিল কেন সে দু’জন অপরিচিতকে চাবি দিল- তা তদন্ত করলেই জানা যাবে। গৌতমবাবু আরও অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের এক নেতা ইতিমধ্যেই এখানে হুমকি দিচ্ছেন বিজেপি এজেন্টকে বসতে দেওয়া হবে না বলে। তৃণমূল এই এলাকার সমর্থন হারিয়েছে। আর তাই রিগিং, ছাপ্পা ভোটের প্রস্তুতির জন্যই আগাম সিসিটিভিকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, এব্যাপারে তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানিয়েছেন, কারা সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙেছে এটা তদন্ত করে দেখা দরকার। তিনি জানিয়েছেন, প্রশাসন তদন্ত করুক। বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করেছে। কপিবাগান এলাকায় তাঁদের সংগঠন অত্যন্ত মজবুত। তাঁদের ক্যামেরা ভাঙার কোনও দরকার নেই। তিনি জানিয়েছেন, এই কাজে তৃণমূল জড়িত নয়। এদিকে, এই ঘটনার খবর পেয়েই বিরাট পুলিশ বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে এসে পৌঁছয়। পুলীশ জানার চেষ্টা করছে কারা সিসিটিভি ভেঙেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here