নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্যারাকপুর: নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে৷ নির্বাচনী বিধি মেনে রাজ্যে একে একে কেন্দ্রীয় বাহিনীও আসা শুরু করেছে৷ শুরু হয়েছে টহলদারিও৷ নির্বাচনী আবহাওয়ায় যে কোনও সময় উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে রাজ্যের পরিস্থিতি৷ তাই কেন্দ্রীয় বাহিনী সর্বদা টহলদারির মাধ্যমে স্পর্শকাতর থেকে অতি স্পর্শকাতর সব এলাকাই নজরে রেখেছে৷ প্রতি বছরই নির্বাচনের প্রাক্কালে যেমন বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর কানে আসে, নির্বাচনের দিন সেই অশান্তি বাড়ে তার কয়েকগুন বেশি৷ বুথ দখলকে কেন্দ্র করে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা কানে আসে৷ যেমন গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথ দখলকে কেন্দ্র করে দুজনকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয় হাবড়া। যে স্থানে ওই ঘটনা ঘটে ও ওই বুথ এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করল কমিশনের সদস্যরা। শান্তিপূর্ন ভোট করার লক্ষ্যে

গোটা রাজ্যে বিভিন্ন এলাকায় চলছে সেনা বাহিনীর টহল। পাশাপাশি চলছে ভোটারদের আশ্বস্ত করার কাজ। সেই মতো সোমবার সকালে হাবড়া থানার যশুর ঘোষপাড়া এবং মহত্মা শিশির কুমার আদর্শ বিদ্যাপীঠ এলাকায় টহল দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাড়ি বাড়ি গিয়ে পঞ্চায়েত ভোটের অশান্তির কথা জানতে চান তারা। এলাকার মানুষ বাহিনীকে কাছে পেয়ে পুরোনো ঘটনা জানানোর পাশাপাশি ওই ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য তাদের আবেদন জানান। পাশাপাশি হাবড়ার বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই শুরু হয়েছে রুটমার্চ।

 

পঞ্চায়েত ভোটের সময় বুথ লুঠকে কেন্দ্র করে যে সমস্ত এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিল সেখানকার কয়েকটি বুথ এলাকায় যায় বাহিনী, পুলিশ ও ইলেকশন কমিশনের কর্মীরা৷ হাবড়া থানার বিভিন্ন এলাকায় আধাসামরিক বাহিনীর রুট মার্চ হয় এদিন। কুমড়া পঞ্চায়তের কাশিপুর বটতলা বাজার থেকে দক্ষিণ নাংলা বালিকা পযর্ন্ত হয় রুট মার্চ চলে। পাশাপাশি ভোটারদের আশ্বস্ত করে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা৷ এছাড়াও কোনও এলাকায় নির্বাচনের দিন বা তার আগে কোনওরকম অশান্তির খবর পেলে যেন তাদের টোলফ্রি নম্বরে তৎক্ষনাত জানানো হয় সে কথাও জানিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here