ডেস্ক: স্বাস্থ্য পরিষেবায় এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। প্রয়োজনীয় বেশকিছু সংখ্যক ওষুধের মূল নির্ধারিত করে দিল নমো সরকার। ক্ষমতায় আসায় পরই দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবার দিকে আলাদাভাবে নজর দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই ক্ষেত্রে ওষুধের মূল্য নির্ধারণের পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

জানা যাচ্ছে, ক্যানসার, হেপাটাইটিস সি, মাইগ্রেন, ডায়বিটিসের মতো প্রায় ৯২টি ওষুধের মূল্য বেঁধে দিয়েছে ওষুধের দাম নির্ধারক সংস্থা ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি বা এনপিপি। তারা জানিয়েছে, ৭২টি ওষুধের যৌগের দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ৯টি মূল্য নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সরকারি নির্দেশিকায় যেসব ওষুধ এই নির্দেশিকার আওতায় পড়েনি, সেইসব ওষুধ প্রস্তুতকারকদের পাইকারি ওষুধের মূল্য বাৎসরিক সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ হারে বাড়ানো কথা বলা হয়েছে।

এর আগেও মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। গত বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে করোনারি স্টেন্টের দাম নির্দিষ্ট করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এছাড়া হাঁটু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও মূল্যের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা পেয়েছেন দেশের সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে, জনসাধারণকে পরিষেবা দিতে ইতিমধ্যেই ভারতীয় জনৌষধি পরিযোজনার অধীনে ৩৩টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে প্রায় ৩০০০টি কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাত, কেরল, মহারাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন রাজ্যগুলিতে সাশ্রয়ী গুণমানের জেনেরিক ওষুধ রাখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে এই কেন্দ্রগুলিতে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here