corona

মহানগর ডেস্ক: দেশে করোনা পরিস্থিতির ধীরে ধীরে ফের অবনতি হচ্ছে। দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। পরিস্থিতিতে করোনার নতুন নতুন স্ট্রেইন দেখা দিচ্ছে। পরিস্থিতি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে যাওয়ার আগে নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছে কেন্দ্র। বুধবার ১০টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে দল পাঠাচ্ছে সরকার। ভারতে নতুন করোনার স্ট্রেইন নিয়ে সাবধান করতেই রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলোতে দলগুলোকে পাঠানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব বিশেষ কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়ার আবদেন করে সাতটি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে চিঠি পাঠিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্র, কেরল, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, পঞ্জাব, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ ও জম্মু ও কাশ্মীরে কেন্দ্রীয় দল পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি দলে তিন জন সদস্য রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় দলগুলোর নেতৃত্বে আছেন জয়েন্ট সেক্রেটারি স্তরের আধিকারিকরা। তাঁরা রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবেন। রাজ্যগুলোতে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণ খোঁজার চেষ্টা করবেন। রাজ্য ও কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করবে বলেও জানা গিয়েছে।

দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণের ৮৬ শতাংশ আক্রান্ত পঞ্জাব, মহরাষ্ট্র, কেরল, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা। সেই কারণেই এই পাঁচ রাজ্য থেকে দিল্লিতে প্রবেশ করতে গেলে করোনার আরটু-পিসিআর রিপোর্ট নেগেটিভ দেখাতে হবে বলে দিল্লি সরকার জানিয়েছে।

অন্য দিকে, করোনা সংক্রমণের জেরে কেরলের সীমান্ত বন্ধ করেছে কর্ণাটক। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চেয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন চিঠি লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে। চিঠিতে তিনি লেখেন, কেরল-কর্ণাটক সীমান্ত বন্ধের জেরে প্রবল অসুবিধার মধ্যে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

মহারাষ্ট্রে এদিনও দৈনিক সংক্রমণ পাঁচ হাজারের বেশি। মহারাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি এলাকাতে লকডাউন জারি করা হয়েছে। মুম্বই, পুনের মতো মহারাষ্ট্রের একাধিক বড় বড় শহরে বেশ কিছু বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। মাস্ক না পড়লে ফাইন নেওয়া হচ্ছে। মধ্যপ্রদেশেও নাইট কারফিউ জারি করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here