news bengali national

মহানগর ওয়েবডেস্ক: বিশ্বের পাশাপাশি দেশজুড়ে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে মারণ করোনাভাইরাস। প্রতিষেধক নেই, ফলে করোনাকে ফাঁকি দিয়ে লুকিয়ে থাকাটাই এখন বাঁচার একমাত্র অস্ত্র মানুষের কাছে। তবে সেটা যে সহজ বিষয় নয় তা বেশ টের পাচ্ছে দেশের মানুষ বর্তমানে ৩৩ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এমন এক পরিস্থিতিতে এবার কিছুটা আশার আলো দেখাল পিজিআই চন্ডিগড়। জানা গেছে করোনা প্রতিষেধকের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করেছেন এখানকার গবেষক দল।

গত বুধবার সংবাদ সংস্থা এএনআই কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই গবেষক দলের এক গবেষক ডঃ রাম বিশ্বকর্মা জানান, এটি ইমিউনোমডুলেটর সেপসিব্যাক নামের এক প্রতিষেধক। মানুষের শরীরে প্রতিষেধক প্রয়োগের পর এটি শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ভীষণভাবে বাড়িয়ে তোলে। শরীর যেহেতু নতুন করে ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে না তাই চিকিৎসাতে দ্রুত সাড়া দেয় রোগী। তিনি আরো জানান মানব শরীরে একবার এই ওষুধ প্রয়োগের পর এটি এক মাস পর্যন্ত সক্রিয় থাকে ফলে ওই ব্যক্তিকে সুস্থ হওয়ার পাশাপাশি নতুন করে সংক্রমিত হওয়ার ভয়ও থাকে না। করোনা আক্রান্ত কোনো রোগীর ওপর এই ওষুধ প্রয়োগের কাজ শুরু করছি আমরা।

তবে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সাইন্স এন্ড রিসার্চের অধ্যাপক তথা ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ডক্টর ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটিকে প্রতিষেধক বলা বোধহয় ভুল হবে। কারণ প্রতিষেধক আগাম মানব শরীরকে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু যে ওষুধের কথা এখানে বলা হচ্ছে সেটি সেপসিসের প্রতিষেধক। এই ওষুধ কর্মা আক্রান্তের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে ফলে চিকিৎসার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়। তবে বিষয়টি যাই হোক না কেন পরীক্ষায় যদি সাফল্য আসে তবে দেশ তথা বিশ্বে বহু মানুষ করো না কে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করছেন গবেষকরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here